ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশ ভোটের নামে যা হচ্ছে – ক্ষমতা না পেলে বোমা, বন্দুকই বিএনপির ভোটের রাজনীতি চলমান
প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না!
ইউনুসের অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের নমুনা দেখুন ফরিদপুরে হাসপাতালে বিএনপি’র সন্ত্রাসীদের হামলা
বিএনপির মামলায় কারাবরণ; চিকিৎসা বিলম্বে কেটে ফেলতে হলো পেকুয়ার নাজিমুদ্দিনের পা
বিএনপির চাঁদাবাজদের কাছে যেন আপন ভাইয়েরও নিস্তার নেই
১৭ বছরে পেয়েছি মেট্রো ও মডেল মসজিদ, আর এখন দেখছি চোর ও অপদার্থের রাজত্ব’—দুই আমলের তফাত টেনে ভাইরাল ভিডিও বার্তা
হাতিরঝিল এক্সপ্রেসওয়ের রড চুরির একচ্ছত্র আধিপত্য ‘মাওরা সায়মন’ সিন্ডিকেটের: নেপথ্যে ভেজাল তাহের ও কাইলা হৃদয়
মর্গে রাখা লাশের দুই চোখ ‘খেয়ে ফেলেছে ইঁদুর’
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রকেম) মর্গ থেকে একটি লাশের দুই চোখই গায়েব হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, মরদেহটি থেকে চোখ চুরি হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, মর্গে রাখা লাশের দুই চোখ খেয়ে ফেলেছে ইদুর। এ ঘটনায় তদন্ত করছে পুলিশ।
ওই মরদেহটি রংপুর নগরীর বুড়িরহাট বাহারদুর সিংহ জিপের পার গ্রামের নাসিম উদ্দিনের ছেলে মাসুম মিয়ার।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৭ মে) সকালে ধানকাটাকে কেন্দ্র করে শ্যালক সায়েদুরের সঙ্গে মাসুম মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় সাইদুরের লোকজন মাসুম মিয়াসহ তার পরিবারের সদস্যদের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে গুরুতর আহত মাসুমকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরে
পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হিমঘরে রেখে দেয়। এদিকে বুধবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হিমঘর থেকে বের করা হলে দেখা যায় মরদেহের দুটি চোখ নেই। এমন খবরে হতবাক হয়ে পড়েন মৃতের স্বজনরা। এ ঘটনায় তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়ী করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন। নিহতের প্রতিবেশী আব্দুল জলিল জানান, ‘একটা লাশের চোখ চুরি হয় এটা বিশ্বাস করা যায় না। একটা সরকারি হাসপাতালে লাশও নিরাপদ থাকছে না। এ ঘটনায় যারা দায়ী তাদের বিচার চাই।’ হাসপাতালের মর্গের দায়িত্বে থাকা সর্দার অফিসের কর্মকর্তারা অভিযোগ করে বলেন, বারবার তাগাদা দেওয়ার পরেও মর্গের সুরক্ষা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মানিক ইসলাম বলেন, ‘হিমঘরে ইদুরের উৎপাত বেড়েছে। প্রায় এ ধরনের ঘটনা
ঘটছে।’ এ বিষয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক আ এ আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এটি দুঃখজনক ঘটনা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ভালোভাবে তদন্ত না করা পর্যন্ত সঠিক কারণ বলতে পারবে না। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত কারণ বের করা হবে। ফ্রিজিংয়ের ব্যাপারেও আমরা বহুবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখেছি। এটার ব্যাপারে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানতে পেরেছি।’ রংপুর মেট্রোপলিটন পরশুরাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি লাশের চোখ ছিল না। এ ঘটনায় তদন্ত করা হচ্ছে।’
পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হিমঘরে রেখে দেয়। এদিকে বুধবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হিমঘর থেকে বের করা হলে দেখা যায় মরদেহের দুটি চোখ নেই। এমন খবরে হতবাক হয়ে পড়েন মৃতের স্বজনরা। এ ঘটনায় তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়ী করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন। নিহতের প্রতিবেশী আব্দুল জলিল জানান, ‘একটা লাশের চোখ চুরি হয় এটা বিশ্বাস করা যায় না। একটা সরকারি হাসপাতালে লাশও নিরাপদ থাকছে না। এ ঘটনায় যারা দায়ী তাদের বিচার চাই।’ হাসপাতালের মর্গের দায়িত্বে থাকা সর্দার অফিসের কর্মকর্তারা অভিযোগ করে বলেন, বারবার তাগাদা দেওয়ার পরেও মর্গের সুরক্ষা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মানিক ইসলাম বলেন, ‘হিমঘরে ইদুরের উৎপাত বেড়েছে। প্রায় এ ধরনের ঘটনা
ঘটছে।’ এ বিষয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক আ এ আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এটি দুঃখজনক ঘটনা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ভালোভাবে তদন্ত না করা পর্যন্ত সঠিক কারণ বলতে পারবে না। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত কারণ বের করা হবে। ফ্রিজিংয়ের ব্যাপারেও আমরা বহুবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখেছি। এটার ব্যাপারে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানতে পেরেছি।’ রংপুর মেট্রোপলিটন পরশুরাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি লাশের চোখ ছিল না। এ ঘটনায় তদন্ত করা হচ্ছে।’



