ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশ ভোটের নামে যা হচ্ছে – ক্ষমতা না পেলে বোমা, বন্দুকই বিএনপির ভোটের রাজনীতি চলমান
প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না!
ইউনুসের অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের নমুনা দেখুন ফরিদপুরে হাসপাতালে বিএনপি’র সন্ত্রাসীদের হামলা
বিএনপির মামলায় কারাবরণ; চিকিৎসা বিলম্বে কেটে ফেলতে হলো পেকুয়ার নাজিমুদ্দিনের পা
বিএনপির চাঁদাবাজদের কাছে যেন আপন ভাইয়েরও নিস্তার নেই
১৭ বছরে পেয়েছি মেট্রো ও মডেল মসজিদ, আর এখন দেখছি চোর ও অপদার্থের রাজত্ব’—দুই আমলের তফাত টেনে ভাইরাল ভিডিও বার্তা
হাতিরঝিল এক্সপ্রেসওয়ের রড চুরির একচ্ছত্র আধিপত্য ‘মাওরা সায়মন’ সিন্ডিকেটের: নেপথ্যে ভেজাল তাহের ও কাইলা হৃদয়
ভ্যাকু দিয়ে ২০০ বছরের মন্দির ভাঙা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত বার্তা—এই দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়
ভ্যাকু দিয়ে ২০০ বছরের মন্দির ভাঙা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত বার্তা—এই দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়। ইউনুস–জামাতের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মানেই টার্গেট।
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় প্রায় দুইশ বছরের পুরোনো শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা দেশের সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে আবারও ভয়ংকর প্রশ্ন তুলেছে। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় খোশবাস দক্ষিণ ইউনিয়নের চালিয়া বড় দিঘির পাড় এলাকায় কোনো উস্কানি ছাড়াই ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরটি ভ্যাকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
বরুড়া পৌরসভার দেওড়া ভূঁইয়া বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল্লাহ আল ফাহিম এক ভ্যাকু চালকের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালায়। এই মন্দির শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং ওই এলাকার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শতাব্দীপ্রাচীন বিশ্বাস ও ইতিহাসের অংশ। তবুও
দিনের আলো ফুরোতেই এমন দুঃসাহসী হামলা প্রমাণ করে, উগ্রবাদীরা এখন আর কিছুই ভয় পায় না। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সময়ে ক্ষমতার ছায়া পেয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর, নিপীড়ন ও হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এক ধরনের অঘোষিত নিপীড়ন নেমে এসেছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জামায়াত-বিএনপি রাজনীতির উত্থান ঘটলেই সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি টার্গেট হয়। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি চলতে থাকলে উগ্রবাদীরাই আইন হয়ে উঠবে, আর সংখ্যালঘুরা থেকে যাবে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে।
দিনের আলো ফুরোতেই এমন দুঃসাহসী হামলা প্রমাণ করে, উগ্রবাদীরা এখন আর কিছুই ভয় পায় না। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সময়ে ক্ষমতার ছায়া পেয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর, নিপীড়ন ও হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এক ধরনের অঘোষিত নিপীড়ন নেমে এসেছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জামায়াত-বিএনপি রাজনীতির উত্থান ঘটলেই সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি টার্গেট হয়। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি চলতে থাকলে উগ্রবাদীরাই আইন হয়ে উঠবে, আর সংখ্যালঘুরা থেকে যাবে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে।



