ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশ ভোটের নামে যা হচ্ছে – ক্ষমতা না পেলে বোমা, বন্দুকই বিএনপির ভোটের রাজনীতি চলমান
প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না!
ইউনুসের অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের নমুনা দেখুন ফরিদপুরে হাসপাতালে বিএনপি’র সন্ত্রাসীদের হামলা
বিএনপির মামলায় কারাবরণ; চিকিৎসা বিলম্বে কেটে ফেলতে হলো পেকুয়ার নাজিমুদ্দিনের পা
বিএনপির চাঁদাবাজদের কাছে যেন আপন ভাইয়েরও নিস্তার নেই
১৭ বছরে পেয়েছি মেট্রো ও মডেল মসজিদ, আর এখন দেখছি চোর ও অপদার্থের রাজত্ব’—দুই আমলের তফাত টেনে ভাইরাল ভিডিও বার্তা
হাতিরঝিল এক্সপ্রেসওয়ের রড চুরির একচ্ছত্র আধিপত্য ‘মাওরা সায়মন’ সিন্ডিকেটের: নেপথ্যে ভেজাল তাহের ও কাইলা হৃদয়
ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত দেশ: বন্ধ কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র
বেশ কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র হঠাৎ বন্ধ হওয়ায় দেশব্যাপী লোডশেডিং করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পিডিবি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেশ কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র যান্ত্রিক ত্রুটিজনিত কারণে হঠাৎ বন্ধ হওয়ায় দেশব্যাপী লোডশেডিং করতে হচ্ছে। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। সাময়িক এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে পিডিবি।
যদিও কারণ হিসেবে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা বলা হলেও জানা গেছে, বিল বকেয়া থাকায় একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের অর্ধেক সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েন চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ।
জানা যায়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত ১,৩২০ মেগাওয়াট
সক্ষমতার একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। বিল বকেয়া থাকায় ভারতের আদানি পাওয়ারের ঝাড়খণ্ডের বিদ্যুৎকেন্দ্রর একটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে। এছাড়া বিবিয়ানার একটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ আছে। এ হিসেবে গতকাল ১ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল। গতকাল বিকেল থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে। তীব্র গরমে নগরবাসীর দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। পিডিবির সিলেট জানায়, সিলেট নগরের বিদ্যুতের চাহিদা ৪০ মেগাওয়াটেরও বেশি। কিন্তু জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ মিলছে মাত্র ২৫.৩০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে আম্বরখানা সাবস্টেশনে দেওয়া হয়েছে ১৩ মেগাওয়াট, শেখঘাটে ৯ মেগাওয়াট এবং লাক্কাতুরায় মাত্র ৩.৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী
শামস-ই আরেফিন বলেন, জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ কম থাকায় নগরবাসীর চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এটি কতদিন থাকবে তা নির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে জাতীয় গ্রিডে পর্যাপ্ত সরবরাহ পাওয়া গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বার্তায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) জানিয়েছে, এ পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে উন্নতি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। বার্তায় বলা হয়, বেশ কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র যান্ত্রিক ত্রুটিজনিত কারণে হঠাৎ বন্ধ হওয়ায় দেশব্যাপী লোডশেডিং করতে হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিন বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি করে ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের কিছু এলাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাত ৯টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল
১৮ হাজার ৮৫৩ মেগাওয়াট, এর বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৬ হাজার ২৫০ মেগাওয়াট। সে হিসেবে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৩৩৪ মেগাওয়াট। তবে পিক আওয়ারের পরে লোডশেডিং ছিল না বলে দাবি করেছে পিডিবি। তবে পিডিবি জানায়, বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সন্ধ্যার পিক আওয়ারের পরে আর লোডশেডিং ছিল না বলে তারা দাবি করছে।
সক্ষমতার একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। বিল বকেয়া থাকায় ভারতের আদানি পাওয়ারের ঝাড়খণ্ডের বিদ্যুৎকেন্দ্রর একটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে। এছাড়া বিবিয়ানার একটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ আছে। এ হিসেবে গতকাল ১ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল। গতকাল বিকেল থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে। তীব্র গরমে নগরবাসীর দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। পিডিবির সিলেট জানায়, সিলেট নগরের বিদ্যুতের চাহিদা ৪০ মেগাওয়াটেরও বেশি। কিন্তু জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ মিলছে মাত্র ২৫.৩০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে আম্বরখানা সাবস্টেশনে দেওয়া হয়েছে ১৩ মেগাওয়াট, শেখঘাটে ৯ মেগাওয়াট এবং লাক্কাতুরায় মাত্র ৩.৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী
শামস-ই আরেফিন বলেন, জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ কম থাকায় নগরবাসীর চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এটি কতদিন থাকবে তা নির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে জাতীয় গ্রিডে পর্যাপ্ত সরবরাহ পাওয়া গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বার্তায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) জানিয়েছে, এ পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে উন্নতি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। বার্তায় বলা হয়, বেশ কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র যান্ত্রিক ত্রুটিজনিত কারণে হঠাৎ বন্ধ হওয়ায় দেশব্যাপী লোডশেডিং করতে হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিন বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি করে ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের কিছু এলাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাত ৯টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল
১৮ হাজার ৮৫৩ মেগাওয়াট, এর বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৬ হাজার ২৫০ মেগাওয়াট। সে হিসেবে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৩৩৪ মেগাওয়াট। তবে পিক আওয়ারের পরে লোডশেডিং ছিল না বলে দাবি করেছে পিডিবি। তবে পিডিবি জানায়, বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সন্ধ্যার পিক আওয়ারের পরে আর লোডশেডিং ছিল না বলে তারা দাবি করছে।



