বিচারহীনতার সংস্কৃতি যেন আবার ফিরে আসতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী – U.S. Bangla News




বিচারহীনতার সংস্কৃতি যেন আবার ফিরে আসতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স:-
আপডেটঃ ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২ | ১২:১৪
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা হত্যার পর দেশে যে ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ চালু হয়েছিল তা যেন আবার ফিরে আসতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে আবারো যেন দায়মুক্তির সংস্কৃতি আসতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তার মত আর কেউ যেন মা-বাবা, ভাইদের হারিয়ে বিচারহীনতার সংস্কৃতির শিকার না হয়।’ রোববার বিকালে ‘বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চাই, আমাদের মত কেউ যেন আর বিচারহীনতার (ইনডেমনিটি) কষ্ট না পায়, বাবা-মা-ভাই মারা গেল তার বিচার চাইতে পারবো না আবার তাদেরকেই গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক

বলা হয় এটা সত্যিই দেশের জন্য, জাতির জন্য, স্বাধীনতার জন্য, একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। এরকম অবস্থায় যেন বাংলাদেশ আর কোন দিন না পড়ে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা সারাটা জীবন এদেশের মানুষের জন্য এত ত্যাগ শিকার করলেন তাকে হত্যা করে প্রকৃত পক্ষে এদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং আদর্শকেই হত্যা করা হয়েছিল। আর এই হত্যাকারিদের বিচার যাতে না হয় সেজন্য ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়। আর এর মাধ্যমে খুনিদের বিচারের হাত থেকে শুধু যে মুক্তি দিয়েছিল তাই নয়, বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে খুনীদের পুরস্কৃতও করে। বাংলাদেশে শুরু হয় বিচারহীনতার এক কালচার। অথচ জাতির পিতা সব সময় চেয়েছেন ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে। কিন্তু, কি

দুর্ভাগ্য আমাদের তার হত্যাকারীদের বিচার যেন না হয় দেশে সে ধরণের আইনও প্রণয়ন করা হয়েছিল, বলেন তিনি। একুশ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে এই ইনডেমনিটি আইন বাতিলের উদ্যোগ নেয় এবং এর মাধ্যমে জাতির পিতা হত্যার বিচারের পথ অবারিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাই সুপ্রীম কোর্টকে, কারণ, এই অর্ডিন্যান্স যাতে বাতিল না হয় সেজন্য আমাদের বিরোধী পক্ষ সবসময় সক্রিয় ছিল। কাজেই কোর্টে যখন এটা আসে সুপ্রীম কোর্ট তাদের রায়ে এটা বাতিল করার নির্দেশ দেয় এবং পার্লামেন্টে আমরা তা বাতিল করি।’ প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আইন,

বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মুকেশ কুমার রশিক ভাই শাহ এবং বাংলাদেশ আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ‘ন্যায় বিচারের অনির্বাণ সুবর্ণ যাত্রা’ শীর্ষক একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ৫০ টাকার স্মারক নোট এবং স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন। তিনি ৫০ বছরের পথ চলায় সুপ্রিম কোর্ট এবং বাংলাদেশের সংবিধানের ইংরেজি কপির মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিম্ন আদালতের বিচারকদের মধ্যে ছয়টি ক্যাটাগরিতে এই প্রথমবারের মত প্রবর্তিত প্রধান বিচারপতি পদক (পুরষ্কার) তুলে দেন।
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বেনজীরের রিসোর্টের আয় যাবে সরকারি কোষাগারে যে কারণে পর্যটনকেন্দ্রের টয়লেটে ‘টাইমার’ বসাল চীন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-গুলিসহ আরসা কমান্ডার গ্রেফতার বিএনপি গঠনতন্ত্র থেকে ৭ ধারা বাদ দিয়েছে কেন, জানালেন কাদের জি-৭ সম্মেলনে এআই নিয়ে কথা বলবেন পোপ ‘বিএনপির টপ টু বটম সবাই দুর্নীতিবাজ’ ‘বেঁচে থাকলে ১০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাব’ ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন যে শর্ত দিলেন পুতিন মালয়েশিয়ায় রিতুর পদক জয় বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহই বাংলাদেশের ‘এক্স ফ্যাক্টর’ উত্তর কোরিয়ার যাচ্ছেন পুতিন, কী বলছে বাইডেন প্রশাসন? এমপি আনার হত্যায় আওয়ামী লীগ নেতা কামালের স্বীকারোক্তি টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর নতুন প্রেস সচিবের শ্রদ্ধা ‘যেকোনো সময় সরকারের পতন হতে পারে’ শ্রমিকদের দেড় ঘণ্টার অবরোধে ‘অচল’ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশবাসীর ঈদের খুশি বাড়িয়ে দিতে চান সাকিব পারমাণবিক সক্ষমতা আরও বাড়াচ্ছে ইরান ঘোষণার অপেক্ষায় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ৪ বছর ধরে আটকা পেনশন, বিনা চিকিৎসায় শিক্ষকের স্ত্রীর মৃত্যু ‘গ্লোবাল কোয়ালিশন ফর সোশ্যাল জাস্টিসে’ যোগ দিল বাংলাদেশ