ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“ড. ইউনূস উন্নয়ন করেনাই, ক্ষতি ছাড়া কোন লাভ হয় নাই; কামাইয়ের প্রচুর ক্ষতি হইছে, সংসার চলতেছে না” — জনতার ক্ষোভ
গণহত্যা ১৯৭১: হরিণাগোপাল-বাগবাটী
ইউনূসের অদক্ষতায় রূপপুরে ব্যয় বেড়েছে ২৬ হাজার কোটি, জনগণের ঘাড়ে বিশাল বোঝা
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় শিক্ষার্থীদের সনদ বাতিল: ড. ইউনূসকে কঠোর বার্তা আন্তর্জাতিক সংগঠনের
ক্ষমতার মোহ নয়, সাধারণ মানুষের হৃদয়েই থাকতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু: ড. কামাল হোসেন
৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯: ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নাম মুছে যেভাবে ‘বাংলাদেশ’ নাম দিলেন বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইইউ পার্লামেন্ট সদস্যের সাথে ‘হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফাউন্ডেশন’-এর বৈঠক
বাংলাদেশে একতরফা নির্বাচনের ঝুঁকি, মার্কিন হস্তক্ষেপ চাইলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন
বাংলাদেশে একটি "একতরফা ও অবৈধ" নির্বাচন আয়োজনের আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি অধ্যাপক ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কাছে লেখা এক চিঠিতে এই আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছেন।
গত ৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পাঠানো ওই চিঠিতে ড. মোমেন অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য প্রধান দলগুলোকে বাদ দিয়ে একটি বর্জনমূলক নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাঁর মতে, যে দলগুলোকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, তাদের সম্মিলিত জনপ্রিয়তা দেশের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ।
চিঠিতে তিনি বলেন, "গণতন্ত্রে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে অংশগ্রহণে
বাধা দিয়ে কোনো নির্বাচন আইনসম্মত বা গণতান্ত্রিক হতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের মতো কোনো বৃহৎ গণতন্ত্র তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর এমন আঘাত সহ্য করবে না।" ড. মোমেন তার চিঠিতে আব্রাহাম লিঙ্কনের বিখ্যাত উক্তি "জনগণের সরকার, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা" স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, প্রধান রাজনৈতিক দল ও নেতাদের বাদ দিয়ে নির্বাহী আদেশে নির্বাচন আয়োজন করা হলে সেই ঐতিহাসিক নীতির লঙ্ঘন হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের এই নীতি জাতিসংঘ সনদ, মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র এবং আইসিসিপিআর-এর সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। চিঠিতে ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত " ভোটারবিহীন নির্বাচনের" উদাহরণ টেনে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, "ইতিহাস কি তার পুনরাবৃত্তি করতে চলেছে?"
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ওই নির্বাচন মাত্র ১২ দিনের মধ্যে গণরোষের মুখে ভেঙে পড়েছিল এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের পথ তৈরি করতে বাধ্য হয়েছিল। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সংকটময় পরিস্থিতি এড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুস্পষ্ট ও নীতিগত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। চিঠিতে তিনি ৪-দফা দাবি তুলে ধরেন: ১. সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। ২. রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আটক নেতা ও সাংবাদিকদের মুক্তি দিয়ে নির্বাচনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা। ৩. একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য একটি নিরপেক্ষ ও সময়াবদ্ধ অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। ৪. পূর্বপরিকল্পিত ফলাফলের পরিবর্তে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে
এমন একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা। চিঠির শেষে ড. মোমেন ট্রাম্প প্রশাসনের নেতৃত্বকে এই সংকট প্রতিরোধে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "এই মুহূর্তে নীরবতা বা বিলম্ব একটি বর্জনমূলক ও অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সম্মতি দেওয়া হিসেবে বিবেচিত হবে।" জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর আর্থিক সহায়তায় এই নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টারও সমালোচনা করেন তিনি এবং জাতিসংঘকে তার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান। এই চিঠি এমন এক সময়ে পাঠানো হলো যখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গভীর সংকট ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
বাধা দিয়ে কোনো নির্বাচন আইনসম্মত বা গণতান্ত্রিক হতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের মতো কোনো বৃহৎ গণতন্ত্র তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর এমন আঘাত সহ্য করবে না।" ড. মোমেন তার চিঠিতে আব্রাহাম লিঙ্কনের বিখ্যাত উক্তি "জনগণের সরকার, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা" স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, প্রধান রাজনৈতিক দল ও নেতাদের বাদ দিয়ে নির্বাহী আদেশে নির্বাচন আয়োজন করা হলে সেই ঐতিহাসিক নীতির লঙ্ঘন হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের এই নীতি জাতিসংঘ সনদ, মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র এবং আইসিসিপিআর-এর সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। চিঠিতে ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত " ভোটারবিহীন নির্বাচনের" উদাহরণ টেনে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, "ইতিহাস কি তার পুনরাবৃত্তি করতে চলেছে?"
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ওই নির্বাচন মাত্র ১২ দিনের মধ্যে গণরোষের মুখে ভেঙে পড়েছিল এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের পথ তৈরি করতে বাধ্য হয়েছিল। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সংকটময় পরিস্থিতি এড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুস্পষ্ট ও নীতিগত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। চিঠিতে তিনি ৪-দফা দাবি তুলে ধরেন: ১. সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। ২. রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আটক নেতা ও সাংবাদিকদের মুক্তি দিয়ে নির্বাচনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা। ৩. একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য একটি নিরপেক্ষ ও সময়াবদ্ধ অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। ৪. পূর্বপরিকল্পিত ফলাফলের পরিবর্তে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে
এমন একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা। চিঠির শেষে ড. মোমেন ট্রাম্প প্রশাসনের নেতৃত্বকে এই সংকট প্রতিরোধে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "এই মুহূর্তে নীরবতা বা বিলম্ব একটি বর্জনমূলক ও অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সম্মতি দেওয়া হিসেবে বিবেচিত হবে।" জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর আর্থিক সহায়তায় এই নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টারও সমালোচনা করেন তিনি এবং জাতিসংঘকে তার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান। এই চিঠি এমন এক সময়ে পাঠানো হলো যখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গভীর সংকট ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।



