ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা গণতন্ত্র নয়, ‘কর্তৃত্ববাদ’: দ্য প্রিন্টকে হাসিনা
সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন অবৈধ—ভোটের নামে প্রহসন চলবে না
বাংলাদেশের চলমান সংকট নিরসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত ৫ -দফা
মিয়ানমার-বাংলাদেশ সংঘাতের দিকে, ইউনুস সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঝুঁকির মুখে
*ঢাকা বিমানবন্দরে চীনা ও ভারতীয় ব্যবসায়ী–পর্যটকদের ন্যক্কারজনক হয়রানি*
‘বাংলাদেশের গৌরবের প্রতিক ‘পদ্মাসেতু’ নিমার্ণের ফলে দেশের অর্থনৈতিতে বৈপ্লবিক ভুমিকা ও অবদান রাখছে।’
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইইউ পার্লামেন্ট সদস্যের সাথে ‘হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফাউন্ডেশন’-এর বৈঠক
‘হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফাউন্ডেশন’ এবং সংশ্লিষ্ট সুশীল সমাজের অংশীজনদের একটি প্রতিনিধিদল ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য (এমইপি) মিস্টার অনদ্রেজ দোস্তালের সাথে এক গঠনমূলক বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট এবং এর ফলে দেশের শাসনব্যবস্থা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর যে প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে বর্তমানে দায়িত্বরত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অসাংবিধানিক আখ্যায়িত করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা জানান, বর্তমান পরিস্থিতি দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ক্রমাগত বাড়িয়ে তুলছে। বৈঠকে রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার ও আটক এবং সরকারের ভিন্নমত পোষণ করায় বা দ্বিমত প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের গ্রেফতার ও ভীতি প্রদর্শনের ক্রমবর্ধমান ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়।
আলোচনায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ধরন, বিশেষ
করে বেআইনি আটক, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা এবং সুশীল সমাজের কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিষয়গুলো উঠে আসে। এছাড়া, রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে চরমপন্থা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের (Hate Speech) উত্থানকে একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা, মেরুকরণ এবং ভীতি সৃষ্টি করছে। বৈঠকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিস্থিতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রতিনিধিদল উল্লেখ করে যে, প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ায় এবং লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হুমকি ও বৈষম্যের কারণে সংখ্যালঘুরা বর্তমানে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, মানবাধিকার নেটওয়ার্ক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ সমাধান, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সাংবিধানিক ও জবাবদিহিতামূলক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে,
সে বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়। উক্ত প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ড. হাছান মাহমুদ। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফাউন্ডেশনের মহাসচিব জনাব এএফএম গোলাম জিলানী এবং মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক শাসন নিয়ে কাজ করা অন্যান্য প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফাউন্ডেশন মিস্টার অনদ্রেজ দোস্তালকে সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানায় এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে ধারাবাহিক সংলাপ ও গঠনমূলক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
করে বেআইনি আটক, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা এবং সুশীল সমাজের কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিষয়গুলো উঠে আসে। এছাড়া, রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে চরমপন্থা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের (Hate Speech) উত্থানকে একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা, মেরুকরণ এবং ভীতি সৃষ্টি করছে। বৈঠকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিস্থিতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রতিনিধিদল উল্লেখ করে যে, প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ায় এবং লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হুমকি ও বৈষম্যের কারণে সংখ্যালঘুরা বর্তমানে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, মানবাধিকার নেটওয়ার্ক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ সমাধান, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সাংবিধানিক ও জবাবদিহিতামূলক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে,
সে বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়। উক্ত প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ড. হাছান মাহমুদ। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফাউন্ডেশনের মহাসচিব জনাব এএফএম গোলাম জিলানী এবং মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক শাসন নিয়ে কাজ করা অন্যান্য প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফাউন্ডেশন মিস্টার অনদ্রেজ দোস্তালকে সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানায় এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে ধারাবাহিক সংলাপ ও গঠনমূলক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।



