ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: সজীব ওয়াজেদ জয়
১২ ফেব্রুয়ারী ভোটকে কেন্দ্র করে টঙ্গীতে বিএনপির কাছে গণতন্ত্র মানেই সন্ত্রাস
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে জরিমানা
ভোট ব্যাংক দখলে জামায়াতের ভয়ংকর নীলনকশা: ৯ আসনে সাড়ে ৪ লাখ ‘বহিরাগত’ ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ
হকারকে টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গে যা বললেন শাহরিয়ার কবির
নির্বাচনকে ‘সাজানো নাটক’ আখ্যা দিয়ে ভোট বর্জনের ডাক দিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়
বুয়েট ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি তানভীর ও সম্পাদক আশিকুল
ফেসবুক লাইভে এসে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী নেত্রী লিজার
চট্টগ্রামের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র ফাতেমা খানম লিজা ফেসবুক লাইভে এসে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার রাতে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, নারী নেত্রীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে নোংরামি ও কুৎসা রটিয়ে তাদের রাজনীতি থেকে মাইনাস করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
লাইভে আবেগঘন কণ্ঠে লিজা বলেন, আমার দ্বারা আর রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমি বোঝাতে পারব না চট্টগ্রামে মেয়েদের নিয়ে কতটা নোংরামি করা হয়, তাদের কতটা ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়। কে করে এসব? আমাদের নিজেদের মানুষই করে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে একসময় অনেক মেয়ে রাজনীতিতে ছিল। আজ তারা হারিয়ে গেছে। আজ আমাকে নিয়েও নোংরামি শুরু হয়ে গেছে। শুধু আমাকে মাইনাস করার জন্যই
একের পর এক বাজে বয়ান তৈরি করা হচ্ছে। আপনারা যারা বড় ভাই, যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, প্লিজ এসব বন্ধ করুন। মেয়েদের নিয়ে এই নোংরামি থামান। নিজের বিদায়ের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লিজা বলেন, চট্টগ্রামের কিছুসংখ্যক মানুষের স্বার্থের কাছে, তাদের চাওয়া-পাওয়ার কাছে আমাদের রাজনীতি হারিয়ে গেছে। আন্দোলনের সম্মুখসারিতে থাকা অনেকেই হারিয়ে গেছেন। এখন বলতে গেলে কেউই আর নেই। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ভাই-ব্রাদার কেন্দ্রের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে চট্টগ্রামে একটার পর একটা কোরাম বানিয়েছেন। এর দায় আপনাদের নিতে হবে। লাইভের পুরোটা জুড়েই লিজা ছিলেন স্পষ্ট ও সাহসী। ব্যক্তিগত কষ্ট এবং রাজনীতিতে নারীদের প্রতি বৈষম্যের বিষয়গুলো তিনি বারবার তুলে ধরেন। শেষ পর্যন্ত আবেগ সংবরণ না করে তিনি
বলেন, আমার দ্বারা সত্যিই আর রাজনীতি করা সম্ভব নয়। এই ঘটনার পর লিজার ফেসবুক পোস্ট এবং লাইভ ভিডিওতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই তার সাহসের প্রশংসা করছেন, আবার কেউ কেউ তীব্র সমালোচনাও করেছেন।
একের পর এক বাজে বয়ান তৈরি করা হচ্ছে। আপনারা যারা বড় ভাই, যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, প্লিজ এসব বন্ধ করুন। মেয়েদের নিয়ে এই নোংরামি থামান। নিজের বিদায়ের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লিজা বলেন, চট্টগ্রামের কিছুসংখ্যক মানুষের স্বার্থের কাছে, তাদের চাওয়া-পাওয়ার কাছে আমাদের রাজনীতি হারিয়ে গেছে। আন্দোলনের সম্মুখসারিতে থাকা অনেকেই হারিয়ে গেছেন। এখন বলতে গেলে কেউই আর নেই। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ভাই-ব্রাদার কেন্দ্রের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে চট্টগ্রামে একটার পর একটা কোরাম বানিয়েছেন। এর দায় আপনাদের নিতে হবে। লাইভের পুরোটা জুড়েই লিজা ছিলেন স্পষ্ট ও সাহসী। ব্যক্তিগত কষ্ট এবং রাজনীতিতে নারীদের প্রতি বৈষম্যের বিষয়গুলো তিনি বারবার তুলে ধরেন। শেষ পর্যন্ত আবেগ সংবরণ না করে তিনি
বলেন, আমার দ্বারা সত্যিই আর রাজনীতি করা সম্ভব নয়। এই ঘটনার পর লিজার ফেসবুক পোস্ট এবং লাইভ ভিডিওতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই তার সাহসের প্রশংসা করছেন, আবার কেউ কেউ তীব্র সমালোচনাও করেছেন।



