ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
ফিলিস্তিনিদের ৬০০ ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিল ইসরাইল
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর অভিযান টানা ১১৪তম দিনেও অব্যাহত রয়েছে। চলমান এই আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ৬০০টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানী বার্তা সংস্থা ইরনা।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, জেনিনে ইসরাইলি সামরিক তৎপরতা একটানা চলছে। স্থানীয় পৌরসভার হিসাব অনুযায়ী, শরণার্থী শিবিরের ভেতরে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০টি বাড়িঘর সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি বাড়িগুলোর অনেকগুলোও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেনিন পৌরসভা আরও জানায়, ইসরাইলি বাহিনীর লাগাতার গুলিবর্ষণ ও সশস্ত্র অভিযান এ শিবিরের বাসিন্দাদের দুর্ভোগকে চরমে পৌঁছে দিয়েছে।
জেনিন শরণার্থী শিবিরে এই দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ একটি ‘পরিকল্পিত মানবিক সংকট ও
গণদমননীতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এদিকে, কাতারে যুদ্ধবিরতি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যেই গাজায় ইসরাইলি হামলায় আরও ৮৪ জন নিহত হয়েছেন। উত্তর গাজা থেকে তাদের বাস্তুচ্যুত করার যে কোনো পরিকল্পনাকে সহজতর করবে এ হামলা। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার ভোর থেকে উত্তর গাজায় জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরসহ বেশকিছু স্থানে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে আরও ১০ জন নিহত হয়েছেন। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৫৩ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অব্যাহত হামলা চালিয়ে ইসরাইল গাজার বেশিরভাগ স্থাপনা ধ্বংস করে দিয়েছে এবং ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে।
গণদমননীতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এদিকে, কাতারে যুদ্ধবিরতি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যেই গাজায় ইসরাইলি হামলায় আরও ৮৪ জন নিহত হয়েছেন। উত্তর গাজা থেকে তাদের বাস্তুচ্যুত করার যে কোনো পরিকল্পনাকে সহজতর করবে এ হামলা। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার ভোর থেকে উত্তর গাজায় জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরসহ বেশকিছু স্থানে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে আরও ১০ জন নিহত হয়েছেন। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৫৩ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অব্যাহত হামলা চালিয়ে ইসরাইল গাজার বেশিরভাগ স্থাপনা ধ্বংস করে দিয়েছে এবং ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে।



