ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির আহ্বানে ১৫ দেশের যৌথ বিবৃতি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ জুলাই, ২০২৫
     ৮:৪২ অপরাহ্ণ

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির আহ্বানে ১৫ দেশের যৌথ বিবৃতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ জুলাই, ২০২৫ | ৮:৪২ 260 ভিউ
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির আহ্বানে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে বিশ্বের ১৫ দেশ। তারা হামাসের হাতে থাকা সব জিম্মির মুক্তি ও গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতিরও আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এই যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে অ্যান্ডোরা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, পর্তুগাল, সান মারিনো, স্লোভেনিয়া ও স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। বিবৃতিতে তারা বলেন, ইসরাইল ও ফিলিস্তিন—দুইটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও নিরাপদ সীমানার মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে জাতিসংঘের প্রস্তাব ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। তারা গাজা ও পশ্চিম তীরকে একটি একক প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে প্যালেস্টাইন অথরিটির নিয়ন্ত্রণে আনার

গুরুত্বও তুলে ধরেন। বিবৃতিতে গাজায় ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি ও বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং জরুরি সহায়তা পৌঁছাতে জাতিসংঘ ও এর বিভিন্ন সংস্থার ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা... ইতোমধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছি, কিংবা স্বীকৃতি দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছি অথবা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছি যে—দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের পথই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে বলা হয়, যেসব দেশ এখনো এই পথে আসেনি, আমরা তাদের এই আহ্বানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। আমরা গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী দিনের জন্য একটি কাঠামো গড়ে তোলার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—যেখানে গাজার পুনর্গঠন, হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ এবং ফিলিস্তিনি শাসনব্যবস্থা থেকে হামাসকে বাদ দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। সর্বশেষ

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সেখানে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর গুলিতে সহায়তা নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অন্তত ১,১৭৯ জন নিহত এবং ৭,৯৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বর্বর হামলায় এখন পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। অব্যাহতভাবে বোমা বর্ষণে গাজার প্রায় সব এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সেখানে ভয়াবহ খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। গত নভেম্বরে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সিলেট-৫: ভোটার ২৫৩৮, ভোট পড়ল ২৭৫৪! ফলাফলে ‘১০৮ শতাংশ’ ভোটের নজির ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক গত ১৫ বছর বিরোধী দলের ওপর আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান ঘটেছে- মির্জা ফখরুল প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি ‘ভোটার ছিল না ভোটকেন্দ্রে; কিন্তু ভোট ছিল গণনার টেবিলে! সর্বনিম্ন ভোটার টার্ণআউট, ফাঁকা ভোটকেন্দ্রগুলো, আওয়ামী লীগের আহ্বানে বিপুল সংখ্যক মানুষের নির্বাচন বর্জন আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: দেশের ভবিষ্যৎ ও দলের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সজীব ওয়াজেদ জয় আমি ঘরের মেয়ে ঘরেই আছি আমার ঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়া- রুমিন ফারহানা ইউনুসের সুষ্ঠু নির্বাচনের নমুনা ⁨নোয়াখালিতে পোলিং অফিসার নিজেই ব্যালটে সিল মারছেন ⁨সবচেয়ে বাজে কারচুপির নির্বাচন হয়েছে – জনগনের ক্ষোভ ভোট শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পূর্বে কেন্দ্রদখল করে ব্যালট ছিনতাইয়ের পর ধানের শীষ মার্কায় সিল জনগণের সমর্থন না পেয়ে ক্ষমতা দখলের নগ্ন প্রয়াস! ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক! ইউনুস–জামাত–বিএনপির নীলনকশার গণপ্রহসন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ: সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জামায়াতে ইসলামীর, ১৫০ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি রাজনীতিতে আসা নিয়ে যা বললেন সজীব ওয়াজেদ জয় ব্যালট বিপ্লবে ‘অনুপস্থিত’ শেখ হাসিনারই জয়: ৫২ শতাংশ মানুষের ভোট বর্জনে প্রমাণিত, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল The Political Lens By RP Station ব্যালট বিপ্লবে ‘অনুপস্থিত’ শেখ হাসিনারই জয়: ৫২ শতাংশ মানুষের ভোট বর্জনে প্রমাণিত, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল প্রশ্নের মুখে ২০২৬-এর নির্বাচন ৮ শতাংশের ভোটকে ৬০ শতাংশ দেখানোর ‘ভুতুড়ে’ কারসাজি প্রতি মিনিটে ১২ ভোটারের উপস্থিতি দেখাল ইসি শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু ও এদেশের প্রেমিক’: সাধারণ মানুষের কণ্ঠে উন্নয়নের জয়গান গণভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের দেয়া বিভিন্ন দেশের উদাহরণ কতোটা সত্য?