ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রিয়ালের সঙ্গে আরও ছয় বছরের চুক্তি বাড়ালেন ভিনিসিউস
রিয়াল মাদ্রিদ নাকি বার্সেলোনা: কোথায় যাবেন রদ্রি?
সাকিবের মাগুরার বাড়িতে হামলা, আগুন
খেলার মাঠ থেকে সরাসরি শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে, অন্যরকম ‘অলরাউন্ডার’ সাকিব
সংকট কাটাতে মরক্কোয় ইনফান্তিনোর জরুরি বৈঠক
স্কটল্যান্ডে কমনওয়েলথ গেমসে গিয়ে পালিয়েছেন পাকিস্তান ও উগান্ডার অ্যাথলেট
প্রতিশ্রুতি দিয়েও অর্থ দিচ্ছে না ফিফা, বিশ্বকাপ আয়োজক শহরগুলোর ক্ষোভ
ফিফার সবচেয়ে বড় স্পন্সর অ্যাডিডাসের দুই দলই ফাইনালে, কোণঠাসা নাইকি
মাঠের যুদ্ধ তো শেষ, এবার হিসাবনিকাশ টেবিলের। তবে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের আসল বিজয়ী কে, জানেন? আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন? উঁহু, আসল ট্রফিটা বোধহয় আগেই পকেটে পুরে নিয়েছে জার্মান ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা জায়ান্ট ‘অ্যাডিডাস’! ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে যখন ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা মাঠ ছাড়ল, তখনই নিশ্চিত হয়ে গেল—রোববারের মেগা ফাইনালে মাঠের নিয়ন্ত্রণ যে দলের পায়েই থাকুক, ব্র্যান্ডের দুনিয়ায় একচ্ছত্র রাজত্ব শুধুই অ্যাডিডাসের। কারণ, ফাইনালের দুই পরাশক্তি আর্জেন্টিনা আর স্পেন—দুই দলই গায়ে জড়াচ্ছে তাদের জার্সি।
অন্যদিকে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ‘নাইকি’র কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। সেমিফাইনালে তাদের স্পন্সর করা দুই দল—ইংল্যান্ড আর ফ্রান্স বিদায় নেওয়ায় ফাইনালের মহমঞ্চে নাইকির সেই পরিচিত ‘টিক’ (Swoosh) চিহ্নটি এবার পুরোপুরি অনুপস্থিত।
মাঠের বাইরে ব্র্যান্ডের যুদ্ধ:
কে কতটুকু এগোলো? এবারের বিশ্বকাপে ব্র্যান্ডিংয়ের লড়াইটা ছিল দেখার মতো। নাইকি তাদের ১২টি দল নিয়ে কোমর বেঁধে নেমেছিল, কিন্তু ভাগ্যের শিকে ছেঁড়েনি। অন্যদিকে ১৪টি দল নিয়ে নামা অ্যাডিডাস শুরু থেকেই ছিল সুবিধাজনক অবস্থানে। অবশ্য বাজারের হাওয়া আগে থেকেই অ্যাডিডাসের পালে বইছিল। ডেটা অ্যানালিটিক্স ফার্ম ‘এম সায়েন্স’-এর তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাসেই জুতো ও পোশাকের বাজারে অ্যাডিডাসের শেয়ার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.২ শতাংশে, যা আগের বছর ছিল ১৬ শতাংশ। আর নাইকি? তারা কেবলই বাজার হারাচ্ছে। এমনকি গত এপ্রিলেই অ্যাডিডাস জানিয়েছিল, বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টারেই তাদের বুকিংয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৯ কোটি ২০ লাখ ডলার! নাইকি অবশ্য হাত গুটিয়ে বসে ছিল না। কিলিয়ান এমবাপ্পে থেকে শুরু করে
কিম কার্দাশিয়ানকে নিয়ে বানানো তাদের ‘রিপ দ্য স্ক্রিপ্ট’ ক্যাম্পেইন বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহেই দেখেছে ১৫০ কোটি মানুষ। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় তাদের জার্সি বিক্রিও বেড়েছে আড়াই গুণ। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হলো না। নাইকির প্রধান নির্বাহী এলিয়ট হিলের ব্যবসার মোড় ঘোরানোর চেষ্টা মুখ থুবড়ে পড়েছে চীন বাজারের মন্দা আর শেয়ার বাজারের দরপতনের কারণে। বিতর্ক আর ‘অ্যাডিডাস’ ভাগ্য ফুটবল দুনিয়ায় একটা কথা বেশ চড়া সুরে ফিসফাস হয়—ফিফার সবচেয়ে বড় ঘরের লক্ষ্মী নাকি এই অ্যাডিডাস। তারা ফিফার প্রধান স্পন্সর হওয়ায় পর্দার আড়ালে এক ধরণের অদৃশ্য চাপ কাজ করে, এমন গুঞ্জন বহু পুরনো। ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেরই অভিযোগ, এই স্পন্সরশিপের মহিমায় অ্যাডিডাসের দলগুলো নাকি রেফারিংয়ে বাড়তি একটু
‘আদর’ পেয়ে থাকে! গত বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার বেশ কিছু রেফারিং সুবিধা পাওয়ার পেছনে অনেকে এই ‘অ্যাডিডাস কানেকশন’-এর গন্ধ পাচ্ছেন। তবে বিতর্ক যাই হোক, বাণিজ্যিক দিক থেকে অ্যাডিডাস এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফাইনালে আর্জেন্টিনা আর স্পেনের মুখোমুখি লড়াই মানেই মার্কেটে অ্যাডিডাসের টাকার পাহাড়। নাইকি অবশ্য মন খারাপের মাঝেও সান্ত্বনা খুঁজছে। তাদের মুখপাত্রের দাবি, ‘আমাদের ফুটবলের স্বপ্ন কোনো একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তের ওপর ঝুলে থাকে না।’ আর অ্যাডিডাস? তারা বিক্রির সঠিক অংকটা গোপন রাখলেও ফাইনালকে তাদের কোম্পানির জন্য একটি ‘গর্বের মুহূর্ত’ বলে বেশ চওড়া হাসি হাসছে। হাসারই কথা, মাঠের লড়াইয়ে যে-ই জিতুক, দিনশেষে ট্রফি তো যাচ্ছে তাদের শো-রুমেই!
কে কতটুকু এগোলো? এবারের বিশ্বকাপে ব্র্যান্ডিংয়ের লড়াইটা ছিল দেখার মতো। নাইকি তাদের ১২টি দল নিয়ে কোমর বেঁধে নেমেছিল, কিন্তু ভাগ্যের শিকে ছেঁড়েনি। অন্যদিকে ১৪টি দল নিয়ে নামা অ্যাডিডাস শুরু থেকেই ছিল সুবিধাজনক অবস্থানে। অবশ্য বাজারের হাওয়া আগে থেকেই অ্যাডিডাসের পালে বইছিল। ডেটা অ্যানালিটিক্স ফার্ম ‘এম সায়েন্স’-এর তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাসেই জুতো ও পোশাকের বাজারে অ্যাডিডাসের শেয়ার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.২ শতাংশে, যা আগের বছর ছিল ১৬ শতাংশ। আর নাইকি? তারা কেবলই বাজার হারাচ্ছে। এমনকি গত এপ্রিলেই অ্যাডিডাস জানিয়েছিল, বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টারেই তাদের বুকিংয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৯ কোটি ২০ লাখ ডলার! নাইকি অবশ্য হাত গুটিয়ে বসে ছিল না। কিলিয়ান এমবাপ্পে থেকে শুরু করে
কিম কার্দাশিয়ানকে নিয়ে বানানো তাদের ‘রিপ দ্য স্ক্রিপ্ট’ ক্যাম্পেইন বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহেই দেখেছে ১৫০ কোটি মানুষ। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় তাদের জার্সি বিক্রিও বেড়েছে আড়াই গুণ। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হলো না। নাইকির প্রধান নির্বাহী এলিয়ট হিলের ব্যবসার মোড় ঘোরানোর চেষ্টা মুখ থুবড়ে পড়েছে চীন বাজারের মন্দা আর শেয়ার বাজারের দরপতনের কারণে। বিতর্ক আর ‘অ্যাডিডাস’ ভাগ্য ফুটবল দুনিয়ায় একটা কথা বেশ চড়া সুরে ফিসফাস হয়—ফিফার সবচেয়ে বড় ঘরের লক্ষ্মী নাকি এই অ্যাডিডাস। তারা ফিফার প্রধান স্পন্সর হওয়ায় পর্দার আড়ালে এক ধরণের অদৃশ্য চাপ কাজ করে, এমন গুঞ্জন বহু পুরনো। ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেরই অভিযোগ, এই স্পন্সরশিপের মহিমায় অ্যাডিডাসের দলগুলো নাকি রেফারিংয়ে বাড়তি একটু
‘আদর’ পেয়ে থাকে! গত বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার বেশ কিছু রেফারিং সুবিধা পাওয়ার পেছনে অনেকে এই ‘অ্যাডিডাস কানেকশন’-এর গন্ধ পাচ্ছেন। তবে বিতর্ক যাই হোক, বাণিজ্যিক দিক থেকে অ্যাডিডাস এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফাইনালে আর্জেন্টিনা আর স্পেনের মুখোমুখি লড়াই মানেই মার্কেটে অ্যাডিডাসের টাকার পাহাড়। নাইকি অবশ্য মন খারাপের মাঝেও সান্ত্বনা খুঁজছে। তাদের মুখপাত্রের দাবি, ‘আমাদের ফুটবলের স্বপ্ন কোনো একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তের ওপর ঝুলে থাকে না।’ আর অ্যাডিডাস? তারা বিক্রির সঠিক অংকটা গোপন রাখলেও ফাইনালকে তাদের কোম্পানির জন্য একটি ‘গর্বের মুহূর্ত’ বলে বেশ চওড়া হাসি হাসছে। হাসারই কথা, মাঠের লড়াইয়ে যে-ই জিতুক, দিনশেষে ট্রফি তো যাচ্ছে তাদের শো-রুমেই!



