ফাতেমার কষ্টের জীবন যাপনের সংবাদ প্রকাশের পর পেল শীত বস্ত্র, শুক্ন খাবার, কাপর ঘর পাওয়ার আশ্বাস

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :১২ জানুয়ারি ২০২১, ১:৫০ পূর্বাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 36 বার
ফাতেমার কষ্টের জীবন যাপনের সংবাদ প্রকাশের পর পেল শীত বস্ত্র, শুক্ন খাবার, কাপর ঘর পাওয়ার আশ্বাস

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের দলগ্রামের অসহায় ফাতেমার কষ্টের জীবন যাপনের সংবাদ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশের পর গতকাল ১০ জানুয়ারী লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ক্রমে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রবিউল হাসান অসহায় ফাতেমার বাড়ি পরিদর্শন করেন।
এর আগে
সোমবার (১১ জানুয়ারী) দুপুরে জেলা প্রশাসক আবু জাফর ছুটে যান ওই উপজেলার দক্ষিণ দলগ্রাম এলাকার অসহায় ফাতেমা বেগমের বাড়িতে, শুনেন তার অভাবী সংসারের কথা। তার এমন করুন দৃশ্য দেখে ও শুনে তাৎক্ষণিক প্রধানমন্ত্রীর উপহার স্বামী নিগৃহীতা ভাতার একটি কার্ড, কম্বল,শুকনো খাবার এবং পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক আইন সহায়তা সংস্থার এনভায়রমেন্ট এওয়ার এন্ড হিউম্যানিটি সোসাইটি (ইয়াস) থেকে একটি খাট,লেপ,তোষক,ও ফাতেমার মেয়েদের জন্য দুটি থ্রীপিস তুলেদেন তাঁর হাতে। এসময় অসহায় ফাতেমাকে (খ) তালিকায় দুর্যোগ সহনীয় একটি ঘর করে দেয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রবিউল হাসান,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আহমেদ,এনভায়রমেন্ট এওয়ার এন্ড হিউম্যানিটি সোসাইটি (ইয়াস) এর জেলা পরিদর্শক আরিফুজ্জামান এবং দলগ্রাম ইউনিয়নের ফ্যামিলি প্লানিং ইন্সপেক্টর মোঃ মুর্শিদ হক।
এসব পেয়ে অনেকটা আবেগফ্লুত হয়ে অসহায় ফাতেমা সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, একনা সংবাদ প্রকাশের জন্য দেড় বছর পরে হলেও ডিসি স্যার,ইউএনও স্যার পিআইও স্যার মোর খবর নিতে আসছিলো । মোক অনেক কিছু দিলো। ডিসি স্যার মোক ঘর দেয়ার আশ্বাস দিছে । ঘর পাওয়ার কথা শুনে চোখের কোণায় অনন্দের পানি নিয়ে ফাতেমা বলেন, মোর মত অভাগীর বাড়িত আসিয়া অনেক কিছু দিছেন আপনেরা। মোই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আপনাগোর জন্য দোয়া করিম। জেলা প্রশাসক,ইউএনও,পিআইও এবং ইয়াস নামে একটি সংস্থার এমন মহানুভবতা দেখে অসহায় ফাতেমা অনেক বেশী খুশী ও আনন্দিত।

এ ব্যাপারে কথা হলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রবিউল হাসান বলেন, ভাতার কার্ড করার সময় আমাদের অগোচরে হয়ত কারও নাম বাদ পড়ে যায়। আমরা সব সময় চেষ্টা করি প্রকৃত ভাতা পাওয়ার মত যোগ্যরা যেন ভাতার আওতায় আসে। আমরা অসহায় ফাতেমার বিষয়টি পত্র পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরে তার অবস্থা বিবেচনা করে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশ মোতাবেক দ্রুত উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে তার স্বামী নিগৃহীতা ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছি ।

জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন,জরাজীর্ণ একটি টিনের চালায় অতি কষ্টে জীবন যাপন ও ফাতেমার অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে স্বামী নিগৃহীতা ভাতার কার্ড শুকনো খাবার,শীতবস্ত্র ও ইয়াস নামের একটি সংস্থা থেকে আসবাবপত্র এবং ফাতেমারদেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও তার
বসবাসের জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি দুর্যোগ সহনীয় ঘর দেয়া হবে। আশা করছি খ তালিকায় ফাতেমা একটি সরকারী ঘর পাবেন ।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।