প্রাথমিক শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেড

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :২১ জানুয়ারি ২০২১, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেড

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষককে ১৩তম গ্রেড দিতে সম্মতিপত্র পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ। অর্থ বিভাগের উপ-সচিব রওনক আফরোজা সুমা স্বাক্ষরিত স্পষ্টীকরণ সম্মতিপত্র প্রকাশ হয়েছে। এদিকে এক হাজার ২৭০ এমপিওবঞ্চিত শিক্ষককে নতুন করে সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষককে ১৩তম গ্রেড দিতে সম্মতিপত্র পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ বলেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৬ এর আগে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে যারা এখনও কর্মরত রয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করে বেতনক্রম নির্ধারণে অর্থ বিভাগের সম্মতি জ্ঞাপন করা হলো।

বেতনক্রম নির্ধারণের শর্তে বলা হয়েছে, সহকারী শিক্ষক (পুরুষ-মহিলা) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা ২০১৬ এ তফশিল অনুযায়ী পদ পূরণযোগ্য। তবে সরকারি সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ১৯৮১, ১৯৯১, ২৯১৩ এর আওতায় নিয়োগ পাওয়া যারা এখনও কর্মরত রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে উক্ত স্কেলপ্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিধিতে উল্লেখিত যোগ্যতা বিবেচনা যোগ্য হবে।

এদিকে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ সুপারিশ পেয়েও এমপিওবঞ্চিত হয়েছিলেন এক হাজার ২৭০ শিক্ষক। ভুল পদে সুপারিশ পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তারা এমপিওবঞ্চিত ছিলেন। তাদের স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগের সুপারিশের ধারাবাহিকতায় প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এনটিআরসিএকে এ নির্দেশ দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ আদেশটি জারি করা হয়।

আদেশে, ২০১৯ সালের দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে ভুল চাহিদায় সুপারিশকৃত শিক্ষকদের যতদূর সম্ভব তাদের স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদে ও স্ব-স্ব বিষয়ের বিপরীতে আগের সুপারিশের ধারাবাহিকতায় প্রতিস্থাপন করতে এনটিআরসিএকে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে গত ৯ জুন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এনটিআরসিএ দ্বিতীয় চক্রে নিয়োগ সুপারিশ করে এমপিওবঞ্চিতদের সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। সভায়, প্যাটার্ন জটিলতায় অর্থাৎ ভুল পদে সুপারিশ পেয়েও যারা এমপিওবঞ্চিত হচ্ছিলেন তাদের আগের সুপারিশের ধারাবাহিকতায় নতুন করে নিয়োগ সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

একই সভায় নবসৃষ্ট পদে নিয়োগ পাওয়া ও মহিলা কোটায় এমপিওবঞ্চিত শিক্ষকদের জটিলতা সমাধানের সিদ্ধান্ত হয়। নবৃসষ্ট পদ ও মহিলা কোটার জটিলতায় ভুক্তভোগীদের এমপিওভুক্তির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হলেও প্যাটার্ন জটিলতায় ভুক্তভোগীদের সমস্যা সমাধানের বিষয়টি আইনি জটিলতার শঙ্কায় আটকে যায়। মন্ত্রণালয়ের এ আদেশে এমপিওবঞ্চিত এক হাজার ২৭০ জন প্রার্থীর নতুন নিয়োগ সুপারিশ জটিলতা কাটলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

আরও পড়ুন