ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সিডনিতে হামলায় নিহত বেড়ে ১২
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল ইউরোপের এক দেশ
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কুকুর ছানাকে বাঁচালেন তরুণী
সিডনিতে হামলায় নিহত বেড়ে ১২
গুলি করা ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে বাড়িতে পুলিশের অভিযান, তদন্তে নতুন তথ্য
সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিহত সদস্যদের স্মরণে ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
পাকিস্তানের গুপ্তচর সন্দেহে ভারতীয় বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
পৃথিবী ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে! নতুন বার্তা দিলো বিজ্ঞানীরা
আমরা সকলেই জানি আজ থেকে প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে। তবে পৃথিবী সৃষ্টির কথা জানলেও ধ্বংস কবে হবে এ বিষয়ে কোনও সঠিক তথ্য জানা নেই। আর এবার সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন বিজ্ঞানীরা। খুব শীঘ্রই ধ্বংস হতে চলেছে পৃথিবী। প্রাণীজগতের বুকে ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর বিপদ। একেবারে দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিলেন বিজ্ঞানীরা। কবে ধ্বংস হবে পৃথিবী?
যেকোনও জিনিসের যেমন শুরু থাকে, তেমনি শেষও থাকে। পৃথিবীর ক্ষেত্রেও এই নীতির বদল নেই। পৃথিবীতে যেভাবে প্রাণের সঞ্চার ঘটেছে, একদিন এই প্রাণের অস্তিত্বও বিলীন হয়ে যাবে। আর সম্প্রতি গবেষকরা গবেষণা করতে গিয়ে এই বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ করলেন।
জানা গিয়েছে, ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা কম্পিউটার সিমুলেশনের
মাধ্যমে এই গবেষণা করেন। আর সেখান থেকেই জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই পৃথিবী থেকে মানুষসহ গোটা প্রাণী জগৎ অদৃশ্য হয়ে যাবে। আর তখন পৃথিবীর তাপমাত্রা থাকবে ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমন পরিবেশে মানুষ তো দূর কোনও পোকামাকড়ই বেঁচে থাকতে পারবেনা। গবেষকদের মতে, মূলত গরমের কারণেই ধ্বংস হবে পৃথিবী। এই বিষয়ে গবেষণা করার সময় দেখা যায়, পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে গ্লোবাল ওয়ার্মিং অর্থাৎ বিশ্ব উষ্ণায়ন। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, প্রতিনিয়ত পৃথিবীতে কার্বনের পরিমাণ বাড়ছে। আর একটু একটু করে ধ্বংস হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা যে তথ্য প্রকাশ করেছেন তাতে জানা গিয়েছে, আজ থেকে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন অর্থাৎ ২৫ কোটি বছর পর পৃথিবী ধ্বংস হবে। আর এই
সময়ই মূলত তাপমাত্রা ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে থাকবে। বলা যায় সেই সময় পৃথিবীর তখন উত্তপ্ত অগ্নিগোলা হয়ে উঠতে পারে। গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রথমে পৃথিবী উত্তপ্ত হবে তারপর শুকিয়ে যাবে। আর এই উত্তাপ এতটাই থাকবে যে, জীবেদের বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। ফলে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে পড়বে প্রাণীজগত। তারা আরও জানিয়েছেন, আজ থেকে প্রায় ৬.৬ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আর এর ফলে মানুষের শরীর গরম হয়ে গিয়ে মৃত্যু ঘটে। এবারও ঠিক ওই একই আশঙ্কাই করছেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীতে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়বে আর তারপরেই সমস্ত কিছু ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।
মাধ্যমে এই গবেষণা করেন। আর সেখান থেকেই জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই পৃথিবী থেকে মানুষসহ গোটা প্রাণী জগৎ অদৃশ্য হয়ে যাবে। আর তখন পৃথিবীর তাপমাত্রা থাকবে ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমন পরিবেশে মানুষ তো দূর কোনও পোকামাকড়ই বেঁচে থাকতে পারবেনা। গবেষকদের মতে, মূলত গরমের কারণেই ধ্বংস হবে পৃথিবী। এই বিষয়ে গবেষণা করার সময় দেখা যায়, পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে গ্লোবাল ওয়ার্মিং অর্থাৎ বিশ্ব উষ্ণায়ন। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, প্রতিনিয়ত পৃথিবীতে কার্বনের পরিমাণ বাড়ছে। আর একটু একটু করে ধ্বংস হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা যে তথ্য প্রকাশ করেছেন তাতে জানা গিয়েছে, আজ থেকে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন অর্থাৎ ২৫ কোটি বছর পর পৃথিবী ধ্বংস হবে। আর এই
সময়ই মূলত তাপমাত্রা ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে থাকবে। বলা যায় সেই সময় পৃথিবীর তখন উত্তপ্ত অগ্নিগোলা হয়ে উঠতে পারে। গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রথমে পৃথিবী উত্তপ্ত হবে তারপর শুকিয়ে যাবে। আর এই উত্তাপ এতটাই থাকবে যে, জীবেদের বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। ফলে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে পড়বে প্রাণীজগত। তারা আরও জানিয়েছেন, আজ থেকে প্রায় ৬.৬ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আর এর ফলে মানুষের শরীর গরম হয়ে গিয়ে মৃত্যু ঘটে। এবারও ঠিক ওই একই আশঙ্কাই করছেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীতে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়বে আর তারপরেই সমস্ত কিছু ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।



