পর্যটন কেন্দ্র লোকে লোকারণ্য – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৫ এপ্রিল, ২০২৫
     ৫:০৪ পূর্বাহ্ণ

পর্যটন কেন্দ্র লোকে লোকারণ্য

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ এপ্রিল, ২০২৫ | ৫:০৪ 96 ভিউ
রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরবতা। ঈদের দিন থেকে সেই নীরবতা ভাঙছে। গতকাল ছিল উপচে পড়া ভিড়। সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, চা বাগান ও ঝরনার মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলো ছিল লোকে লোকারণ্য। দীর্ঘ ছুটি থাকায় পর্যটন ব্যবসা জমে উঠেছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। কক্সবাজার ও পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সমুদ্রের নোনাজলে গা ভাসিয়ে পর্যটকদের আনন্দে মেতে উঠতে দেখা গেছে। কেউ গোসল করছেন। কেউ ছবি তুলছেন। কেউ ছাতার নিচে বসে ঢেউ উপভোগ করছেন। আবার কেউ ঘোড়ার পিঠে চড়ে সৈকত ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ঈদের তৃতীয় দিন গতকাল বুধবার কক্সবাজার সৈকতে দেড় লক্ষাধিক পর্যটক গেছেন। ছিল স্থানীয় আরও ৩০-৩৫ হাজার মানুষ। সব

মিলিয়ে সাগরে ঝাঁপাঝাঁপি করেন প্রায় দুই লাখ মানুষ। সৈকতে ঘোরাঘুরি শেষে বিপুলসংখ্যক পর্যটক ছোটেন মেরিন ড্রাইভ, দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ইনানী ও পাটোয়ারটেক, মাথিনকূপ, রামুর বৌদ্ধপল্লি, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ও আদিনাথ মন্দিরে। কক্সবাজার হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, গত বছর ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ১০ লাখ পর্যটক সমাগম হয়েছিল। এবার ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। কক্সবাজার শহর ও মেরিন ড্রাইভের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এদিকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পর্যটক এত বেশি গেছেন যে আবাসিক হোটেলে কক্ষ সংকট দেখা দিয়েছে। আগাম কক্ষ বুকিং না দিয়ে যারা গিয়েছেন, তাদের

পড়তে হয়েছে বিড়ম্বনায়। পছন্দমতো কক্ষ না পাওয়া, পেলেও ভাড়া বেশি চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঈদের দিন থেকে হাসি ফুটেছে সিলেটের পর্যটন ব্যবসায়ীদের। পর্যটকে মুখর পুরো জেলা। ফাঁকা নেই আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টগুলো। টিলাবেষ্টিত চা-বাগান, সাদাপাথর, জাফলংয়ে স্বচ্ছ পানির ঝরনা, রাতারগুল, লালাখাল, বিছনাকান্দি, পান্তুমাই, লোভাছড়া ও ঝরনায় গতকাল ছিল উপচে পড়া ভিড়। এ ছাড়া শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরানের (রহ.) মাজারে ভিড় ছিল লক্ষণীয়। এবার ১৫ লাখ পর্যটক সমাগমের আশা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। দু’দিন ধরে মৌলভীবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বধ্যভূমি ৭১, মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, মাধবপুর লেক, বাইক্কাবিল, জলের গ্রাম অন্তেহরিতে পর্যটকের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ভাসমান দোকানিদের বেচা-কেনা বেড়েছে। তবে পর্যাপ্ত

শৌচাগার, ক্যান্টিন ও বিশ্রাম নেওয়ার বেঞ্চ না থাকায় আগন্তুকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সূত্রে জানা যায়, ঈদ ও পরের দিনে দুই হাজারের বেশি দর্শনার্থী প্রবেশ করেছেন। মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের কর্মচারী সাজু আহমদ বলেন, ঈদের দিন ২ হাজার ৫০০, পরদিন ১ হাজার ৫০০, আর গতকাল দুই হাজারের বেশি পর্যটক এসেছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গতকাল রাঙামাটি আসা ভ্রমণপিপাসুর ঢল নেমেছে বিভিন্ন পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে। ঝুলন্ত সেতু, জেলা প্রশাসনের বাংলো পার্ক, পুলিশের পলওয়েল পার্ক, কাপ্তাই হ্রদের ধারে অবস্থিত আসামবস্তি-কাপ্তাই ১৮ কিলোমিটার সড়কের দৃশ্য তারা উপভোগ করেন। এছাড়া বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি বড়গাঙ, রাইন্যা টুগুন, বেরান্নে লেক এবং বার্গী লেক ভ্যালি, আরণ্যক, রাঙাদ্বীপ, শিশু পার্কসহ

বিভিন্ন কেন্দ্র পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। অনেকে কাপ্তাই হ্রদে নৌ ভ্রমণ করেন। সাজেক কটেজ-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মণ জানান, ৯০ শতাংশ কটেজ-রিসোর্টের কক্ষ বুক হয়ে আছে। চট্টগ্রাম নগরীর বিনোদন কেন্দ্রগুলো ছিল লোকারণ্য। পতেঙ্গা, চিড়িয়াখানা, ফয়’স লেক, জাতিসংঘ পার্ক, প্রজাপতি পার্ক, জাম্বুরি মাঠ, অভয়মিত্র ঘাট, বায়েজিদ লিংক রোড, হালিশহর, গুলিয়াখালী, মহামায়া, পারকি ও ফটিকছড়ি চা বাগানে ছিল ভিড়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা ইরানে সরকার পতন এখনই হচ্ছে না রাজধানীতে আজ কোথায় কী বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র ইরান সংকটে আন্দোলনের ভেতরে যুদ্ধের ছায়া বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রিশাদের ঘূর্ণিতে থামল ব্রিসবেন, তবু শেষ বলের নাটকে হারল হোবার্ট আবারও আসছে শৈত্যপ্রবাহ, থাকবে যত দিন ইরান-ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে ‘হাই অ্যালার্ট’ স্বর্ণের দামে নতুন ইতিহাস, রেকর্ড গড়েছে রুপাও মারা গেছেন ভারতের বর্ষীয়ান সংগীতশিল্পী সমর হাজারিকা এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী