নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল, মৃত্যুর আগে সাক্ষাৎকারে জাফরুল্লাহ – U.S. Bangla News




নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল, মৃত্যুর আগে সাক্ষাৎকারে জাফরুল্লাহ

ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স:-
আপডেটঃ ১২ এপ্রিল, ২০২৩ | ৭:৫৮
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বাস করেছিলাম। উনার সঙ্গে কথা ছিল- উনি আমাদের মিছিল মিটিং করতে দেবেন। উনি নির্বাচনের আগে কর্মীদের এরেস্ট করবেন না; উনি আরও আলাপ-আলোচনা করবেন। যেই আমরা কর্মসূচি দিতে শুরু করলাম উনি কথা রাখেননি। প্রধানমন্ত্রী আমার নামেও মাছ চুরির অভিযোগ দিয়ে বসলেন। আমাদের বিব্রত করে রাখলেন। গত বছরের ১৬ মে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছিলেন। গত নির্বাচনের আগে আপনারা শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে গিয়ে ছিলেন। সেখানে তার সঙ্গে কী কথা হয়েছিল- এমন প্রশ্নের জাবাবে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, গতবারের নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করতে চাচ্ছিল না। আমাদের একটা

ভূমিকা ছিল; আমরা বলেছিলাম সবাই মিলে যদি নির্বাচনটা করি তাহলে সুষ্ঠু করা সম্ভব হবে; কিন্তু আমরা একটা ভুল করেছিলাম। নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল বলে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, সংলাপে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল সেসব রক্ষা করেনি আওয়ামী লীগ সরকার। উলটো বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমনপীড়ন করা হয়েছে। জাফরুল্লাহ আরও বলেন, একই ভুল তো বারবার করা যাবে না; পাগলও একই ভুল বারবার করে না। এবার আমরা সেই ভুল করছি না। আমরা আলোচনা করে পরিষ্কারভাবে তাদের বলতে চাই নির্বাচনের দুই বছর আগেই অন্তর্বর্তীকালীন, সর্বজনীন বা সর্বদলীয় জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করে সুষ্ঠু নির্বাচনকে নিশ্চিত করা হবে, ইভিএমকে কবরে পাঠানো হবে। বরং ইভিএমে কে

কত চুরি করেছে তার হিসাব প্রকাশ করা হবে। সামরিক বাহিনীর কোন কর্মকর্তার কতটা যোগাযোগ আছে তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে। সব দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে।
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গাজায় আশ্রয় শিবিরে ইসরাইলের হামলা, নিহত ১১ শোকের শহরে আনন্দ মিছিল করল ছাত্রদল জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নতুন কমিটি গঠন পুলিশ ছাড়া একদিন রাস্তায় আসেন দেখি কেমন পারেন: ফারুক সরকার জুলুম করতে পারে, জিনিসের দাম কমাতে পারে না: মান্না ইউক্রেনে ‘আত্মহত্যার বাঁশিওয়ালা’ দেশে ফিরে স্ত্রী ও মেয়ের লাশ গ্রহণ করলেন পোল্যান্ড প্রবাসী মালয়েশিয়ায় কাজ না পেয়ে ক্ষুধার জ্বালায় বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু ৩৪ হাজার বার্গার খেয়ে বিশ্ব রেকর্ড ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের’ সুফল পেতে বাড়াতে হবে কর্মমুখী শিক্ষার সুযোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম বেইলি রোডে আগুন: সন্দেহজনক ২ পাইপলাইন গাজায় বিমান থেকে ত্রাণ ফেলল যুক্তরাষ্ট্র ঢাকার ৯০ শতাংশ ভবনে নকশার বিচ্যুতি সড়ক পরিবহণ আইনের আওতায় মালিকদের আনার প্রস্তাব ডিসিদের শনাক্তের পরও মিনহাজের লাশ পেতে ভোগান্তি দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন ৬১ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রামের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা স্বাধীনতার ইশতেহারে কাস্টমসের হয়রানিতে আমদানি শূন্য বইমেলার শেষ দিনে ভিড় বিক্রি দুই-ই কম