ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দিল্লিতে আবারও জড়ো হওয়ার আহ্বান অভিজিৎ দীপকের
হরমুজে ২ হাজার ৫০০ কনটেইনারসহ জাহাজডুবি
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দিন শুরু যেভাবে— নাশতা বানান, বাসনও মাজেন
সৌদি আরামকোর সদর দপ্তরে হুথি ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা, যৌথ সহয়তা’র ‘মক্কা জোট’ যৌথ নিন্দা প্রকেশেই সীমিত
কাজ করেনি সতর্কবার্তা সৌদিতে নতুন হামলা
পানামায় ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত
দাবানল হয়ে ছড়াচ্ছে বিক্ষোভ
নিরাপত্তাজনিত কারণে আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, জীবিকা হারিয়ে শঙ্কায় প্রবাসীরা
সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল করা হয়েছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভিসা বাতিলের এসব ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
আকস্মিকভাবে ভিসা বাতিল হওয়ায় অনেক বাংলাদেশি প্রবাসী চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এসব ভিসা বাতিল করছে। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জন্য আমিরাত সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তিনি জানতে পেরেছেন যে, বর্তমানে ভিসা বাতিলের সংখ্যা ৪ হাজার ৮০০-তে পৌঁছেছে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রথমে জানতে চাওয়া
হয়েছে, ঠিক কী কারণে এসব ভিসা বাতিল করা হচ্ছে এবং এভাবে বিষয়টি হওয়া উচিত নয় বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব ব্যক্তির ভিসা বাতিল হয়েছে, সেগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করার জন্যও আমিরাত সরকারের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী প্রবাসীরা জানিয়েছেন, জুলাই মাস থেকে অনেকের ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে। কারও ই-মেইলে, কারও মোবাইল ফোনে আবার কারও সংশ্লিষ্ট কফিলের কাছে এ বিষয়ে বার্তা পাঠানো হচ্ছে। এর ফলে অনেক বাংলাদেশি ছুটিতে দেশে এসে ভিসা বাতিলের খবর জানতে পেরে আর আমিরাতে ফিরতে পারছেন না। একজন প্রবাসী জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা কিংবা গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত অভিযোগ নেই। আমিরাতে তার ব্যবসা ও পরিবার রয়েছে। এরপরও হঠাৎ করে ভিসা বাতিল হওয়ায়
দেশে ফিরে তিনি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। আমিরাতে ফিরতে না পারলে ব্যবসা ও জীবিকা—সবকিছু হারানোর আশঙ্কা করছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিলের ঘটনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজার নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উদ্ভূত সংকটের সমাধানে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারপারসন এম এস শেকিল চৌধুরীর মতে, এই পরিস্থিতির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিরও যোগসূত্র থাকতে পারে। তিনি আমিরাতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশিদের যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এদিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিসা বাতিল হয়ে যাওয়া বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের
নির্ধারিত ই-মেইলে জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
হয়েছে, ঠিক কী কারণে এসব ভিসা বাতিল করা হচ্ছে এবং এভাবে বিষয়টি হওয়া উচিত নয় বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব ব্যক্তির ভিসা বাতিল হয়েছে, সেগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করার জন্যও আমিরাত সরকারের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী প্রবাসীরা জানিয়েছেন, জুলাই মাস থেকে অনেকের ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে। কারও ই-মেইলে, কারও মোবাইল ফোনে আবার কারও সংশ্লিষ্ট কফিলের কাছে এ বিষয়ে বার্তা পাঠানো হচ্ছে। এর ফলে অনেক বাংলাদেশি ছুটিতে দেশে এসে ভিসা বাতিলের খবর জানতে পেরে আর আমিরাতে ফিরতে পারছেন না। একজন প্রবাসী জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা কিংবা গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত অভিযোগ নেই। আমিরাতে তার ব্যবসা ও পরিবার রয়েছে। এরপরও হঠাৎ করে ভিসা বাতিল হওয়ায়
দেশে ফিরে তিনি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। আমিরাতে ফিরতে না পারলে ব্যবসা ও জীবিকা—সবকিছু হারানোর আশঙ্কা করছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিলের ঘটনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজার নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উদ্ভূত সংকটের সমাধানে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারপারসন এম এস শেকিল চৌধুরীর মতে, এই পরিস্থিতির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিরও যোগসূত্র থাকতে পারে। তিনি আমিরাতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশিদের যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এদিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিসা বাতিল হয়ে যাওয়া বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের
নির্ধারিত ই-মেইলে জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।



