ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রে জি২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা বাদ: কানাডার ওয়াকআউট, ইউরোপের ক্ষোভে বিতর্কিত আয়োজন
লাইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: রাশিয়াকে দায়ী করে কড়া পদক্ষেপ জার্মানির
নবীর শহর মদিনায় খেজুরের বিশাল সাম্রাজ্য
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ করল নেপাল
ইরানে গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ
হরমুজ প্রণালির নাম নিজের নামে রাখতে চান ট্রাম্প
পাকিস্তানে আটক সেই পাইলট ছাড়লেন ভারতীয় বিমানবাহিনী
নিজ বাসভবনে মিললো মমতার ভাইঝির মরদেহ
পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের রামপুরহাটে নিজ বাসভবন থেকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের (৩১) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে বাপের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় রামপুরহাট-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও তার কোনো সাড়া না পাওয়ায় থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
জানা গেছে, বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় বোলপুর
হাইস্কুলে গ্রুপ-সি পদে চাকরি করতেন। তবে রাজ্য শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তার নিয়োগ অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় আদালতের নির্দেশে প্রায় এক বছর আগে চাকরি হারান তিনি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শুরুর পর থেকেই তিনি তদন্তকারীদের নজরদারিতে ছিলেন বলে জানা গেছে। চাকরি হারানোর পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। বর্তমানে তাদের মধ্যে বিয়েবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। এক সন্তানকে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে তিনি বাপের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরিবারের দাবি, চাকরিচ্যুতি, পারিবারিক টানাপোড়েন ও বিয়েবিচ্ছেদের কারণে কয়েক বছর ধরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
হাইস্কুলে গ্রুপ-সি পদে চাকরি করতেন। তবে রাজ্য শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তার নিয়োগ অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় আদালতের নির্দেশে প্রায় এক বছর আগে চাকরি হারান তিনি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শুরুর পর থেকেই তিনি তদন্তকারীদের নজরদারিতে ছিলেন বলে জানা গেছে। চাকরি হারানোর পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। বর্তমানে তাদের মধ্যে বিয়েবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। এক সন্তানকে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে তিনি বাপের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরিবারের দাবি, চাকরিচ্যুতি, পারিবারিক টানাপোড়েন ও বিয়েবিচ্ছেদের কারণে কয়েক বছর ধরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।



