ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাই দাঙ্গার নায়করা নির্বাচনে, বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মৃত্যুর প্রহর গুনছে
নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক
যে দেশে সংখ্যালঘু মানেই দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক : রক্তের দাগ মোছে না, ইতিহাসও ভোলে না
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘দায়মুক্তি’ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি ১০ মানবাধিকার সংস্থার
আবদুল মান্নান খানের মৃত্যুতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের শোক
ঈদের মতো ভিড় টার্মিনালে, রিকুইজিশনে বাস সংকট
তপশিলের পর গুলির ঘটনা ৩৪টি, অস্ত্র উদ্ধার ১১৩৯
জামিন দেওয়ায় বিচারকের বেঞ্চ কেড়ে নেওয়া হয়েছে’—বিচার ব্যবস্থা ও পুলিশি হয়রানি নিয়ে এ কে আজাদের বিস্ফোরক মন্তব্য
দেশের বিচার ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা এবং মেধা পাচার নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এবং সংসদ সদস্য এ কে আজাদ। তিনি অভিযোগ করেছেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া আটক ব্যক্তিদের জামিন দেওয়ার কারণে হাইকোর্টের একজন বিচারককে তাঁর বেঞ্চ হারাতে হয়েছে।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তিনি নিজের এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।
জামিন দিলে বেঞ্চ থাকে না
এ কে আজাদ বলেন, তিনি এক বিচারপতির কাছে জানতে চেয়েছিলেন কেন মানুষকে এভাবে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং কেন তারা জামিন পাচ্ছেন না। জবাবে ওই বিচারপতি তাকে জানান, এফআইআরে নাম নেই এবং সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই—এমন ব্যক্তিদের জামিন
দেওয়ার কিছুদিন পর তিনি দেখেন তাঁর আর কোনো বেঞ্চ নেই। বিচারপতির উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “একজন জাস্টিস বললেন—আমি কিছুদিন বেল (জামিন) দিয়েছিলাম, তারপরে দেখি আমার বেঞ্চ নাই।” পুলিশি হয়রানি ও ‘বকশিশ’ বাণিজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে এ কে আজাদ বলেন, এলাকা থেকে মানুষকে নির্বিচারে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। থানায় নিয়ে আটককৃতদের কাছে টাকা বা ‘বকশিশ’ দাবি করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, “যে বকশিশ দিতে পারে সে ছাড়া পায়, আর না হলে তারে জেলে মাদক আইনের মামলা দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।” তিনি আরও বলেন, এসব মিথ্যা মামলায় আটক ব্যক্তিরা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা জজ আদালতেও জামিন পাচ্ছেন না। এমনকি হাইকোর্টেও হাতেগোনা
দু-একটি বেঞ্চ ছাড়া জামিন পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। মেধা পাচার ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেশে ন্যায়বিচারের এমন নাজুক পরিস্থিতির কারণে মেধাবী তরুণরা দেশবিমুখ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন এই ব্যবসায়ী নেতা। তিনি প্রশ্ন রাখেন, “এইটা যদি হয় ন্যায়বিচারের প্রতীক, তাহলে দেশ ও অর্থনীতি এগোবে কী করে?” নিজের পরিবারের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “জিনিয়াস ছেলে-মেয়েদেরকে আমরা দেশে আসতে বলব কেন? আমার ছেলেকে আমি কিভাবে দেশে রাখব? দেশের যদি মেধা না থাকে, তাহলে দেশটাকে এগিয়ে নিবে কারা?” অনুষ্ঠানে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ন্যায়বিচারের এই সংকটের উত্তর তাদেরই দিতে হবে, কারণ তারা নিয়মিত আদালতে যান।
দেওয়ার কিছুদিন পর তিনি দেখেন তাঁর আর কোনো বেঞ্চ নেই। বিচারপতির উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “একজন জাস্টিস বললেন—আমি কিছুদিন বেল (জামিন) দিয়েছিলাম, তারপরে দেখি আমার বেঞ্চ নাই।” পুলিশি হয়রানি ও ‘বকশিশ’ বাণিজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে এ কে আজাদ বলেন, এলাকা থেকে মানুষকে নির্বিচারে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। থানায় নিয়ে আটককৃতদের কাছে টাকা বা ‘বকশিশ’ দাবি করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, “যে বকশিশ দিতে পারে সে ছাড়া পায়, আর না হলে তারে জেলে মাদক আইনের মামলা দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।” তিনি আরও বলেন, এসব মিথ্যা মামলায় আটক ব্যক্তিরা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা জজ আদালতেও জামিন পাচ্ছেন না। এমনকি হাইকোর্টেও হাতেগোনা
দু-একটি বেঞ্চ ছাড়া জামিন পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। মেধা পাচার ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেশে ন্যায়বিচারের এমন নাজুক পরিস্থিতির কারণে মেধাবী তরুণরা দেশবিমুখ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন এই ব্যবসায়ী নেতা। তিনি প্রশ্ন রাখেন, “এইটা যদি হয় ন্যায়বিচারের প্রতীক, তাহলে দেশ ও অর্থনীতি এগোবে কী করে?” নিজের পরিবারের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “জিনিয়াস ছেলে-মেয়েদেরকে আমরা দেশে আসতে বলব কেন? আমার ছেলেকে আমি কিভাবে দেশে রাখব? দেশের যদি মেধা না থাকে, তাহলে দেশটাকে এগিয়ে নিবে কারা?” অনুষ্ঠানে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ন্যায়বিচারের এই সংকটের উত্তর তাদেরই দিতে হবে, কারণ তারা নিয়মিত আদালতে যান।



