জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নতুন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো চাই : প্রধান উপদেষ্টা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ নভেম্বর, ২০২৪

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নতুন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো চাই : প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ নভেম্বর, ২০২৪ |
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জলবায়ু সংকট মোকাবেলা এবং পৃথিবী ও মানব কল্যাণকর নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে এক নতুন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো প্রয়োজন। বুধবার (১৩ নভেম্বর) জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে এলডিসি’র উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা একথা বলেন। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে পাঁচটি প্রধান জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ স্বল্পোন্নত দেশ নেপাল, মালাউই, গাম্বিয়া, লাইবেরিয়া ও বাংলাদেশের নেতারা যোগ দেন। মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের একটি নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো দরকার, যা পৃথিবী ও মানুষের জন্য কল্যাণকর হবে। একই সঙ্গে বিশ্বের তরুণদের জন্য একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ‘সামিট ফর দ্য ফিউচার’ এর প্রতিও

সমর্থন জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, আমরা এমন অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরি করেছি, যার ভিত্তি হচ্ছে ভোগ, ভোগ আর ভোগ। এটি শুধু বর্জ্য, বর্জ্য ও বর্জ্য উৎপাদন করে। আমাদেরকে শূন্য বর্জ্যের বিশ্ব গড়তে হবে। প্রতি বছর কপ জলবায়ু সম্মেলন করা উচিত নয় উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের কী প্রয়োজন, তা আমরা জানি এবং এর জন্য আমাদের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা উচিত। এটি দেশ অনুযায়ী হওয়া উচিত। আমাদের দীর্ঘমেয়াদি (বর্জ্য) অপসারণের পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের প্রতি বছর এখানে জমায়েত করার দরকার নেই। প্রতি বছর আলোচনার জন্য মিটিং করা সময়সাপেক্ষ, অপচয়কর ও অপমানজনক। বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বের বেশিরভাগ চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ

হয়েছে উল্লেখ করে জলবায়ু আলোচনার জন্য একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে স্বল্পোন্নত দেশগুলো সবচেয়ে বড় অবিচারের সম্মুখীন হয়েছে। আমরা আপনাদের বলতে চাই যে, আমরা আপনাদের বিষয়ে গুরুত্ব দেই। জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমনের জন্য একটি বৃহত্তর তহবিল সংস্থান করতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে জোরালো আলোচনা এবং ঐকান্তিক প্রক্রিয়া গড়ে তুলতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘ফোন ধরিস না কেন?’—ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলের টিকিট কাউন্টারে যুবদল নেতার হামলা, ভোগান্তিতে যাত্রীরা নিরাপত্তাজনিত কারণে আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, জীবিকা হারিয়ে শঙ্কায় প্রবাসীরা ৭ মাসে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ || নিখোঁজ শিশুর অঙ্গ পাচার, ৭ মাস পর মাহফিলে ভিক্ষা করতে এসে বাবার সঙ্গে দেখা তিন মাসে ব্যাংকে কোটির বেশি টাকার হিসাব বেড়েছে ৫ হাজার ডাকসুর দেয়ালে বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন: ছাত্র মৈত্রীর ক্ষোভ ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে এলো আরও ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল ‘মা মাটি মোহনা বিদেশিদের দেব না’ স্লোগানে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে ইজারা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ রায় বহাল, ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে মব হামলায় ক্যাম্পাসছাড়া, পাননি প্রশাসনের সহায়তা: ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসীনের ডাকসুতে ছেঁড়া হলো জিন্নাহর ছবি, টাঙানো হলো রাজাকার গোলাম আযমকে জুতাপেটার ছবি ঋণের সুদ কমলেও বিনিয়োগে গতি নেই আওয়ামী লীগের মিছিল মানেই পুলিশের গ্রেপ্তার বাণিজ্য রমরমা! ‘এআই মানুষকে ধ্বংস করতে পারে’: কেন থামছে না প্রযুক্তির দৌড় গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায় চেম্বার আদালতেও বহাল গৃহকর্মী তানিয়ার শরীরজুড়ে খুন্তির ছ্যাঁকা, মাথায় গুরুতর আঘাত, পচন ধরেছে দুই পায়ে নয় মাসের ব্যবধানে তিনগুণ বেশি দামে এলএনজি কিনছে সরকার হাতিয়ার সেই বিদ্যালয়ে আবারও ঝাঁজালো গন্ধ, অসুস্থ ২০ শিক্ষার্থী ময়মনসিংহ মেডিকেলের নতুন ভবনে আগুন, আতঙ্কে আহত কয়েকজন যুক্তরাজ্য ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যে চুক্তি করল তিন দেশ ‘ভাতের জন্য সাগরে গেছিলো, সাত মাস হয়ে গেলো বুকের মানিক এখনও আসে না’