ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রে জি২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা বাদ: কানাডার ওয়াকআউট, ইউরোপের ক্ষোভে বিতর্কিত আয়োজন
লাইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: রাশিয়াকে দায়ী করে কড়া পদক্ষেপ জার্মানির
নবীর শহর মদিনায় খেজুরের বিশাল সাম্রাজ্য
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ করল নেপাল
ইরানে গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ
হরমুজ প্রণালির নাম নিজের নামে রাখতে চান ট্রাম্প
পাকিস্তানে আটক সেই পাইলট ছাড়লেন ভারতীয় বিমানবাহিনী
গাজায় যুদ্ধবিরতি: হামাসের সঙ্গে ট্রাম্পের জামাতার বৈঠক
গাজা উপত্যকায় শান্তি ফেরাতে ও যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার।
রোববার (১৬ আগস্ট) মিসরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি এক বিরল বৈঠক করেছেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসবেন।
এই তৎপরতার মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফার রোডম্যাপ রক্ষা করা।
এই পরিকল্পনায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের ধাপে ধাপে প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু গত সপ্তাহে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেন নেতানিয়াহু।
তার দাবি, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল
গাজার কোনো এলাকা ছাড়বে না। বর্তমানে গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইসরায়েলের এমন অনমনীয় অবস্থানের নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান ও পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশ। তারা যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, শান্তি প্রচেষ্টায় বাধার মূল দায় এখন ইসরায়েলের। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও শান্তি বোর্ডের প্রতি অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে কেউ এই প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে না পারে। মিসরে হামাস নেতা খলিল আল-হাইয়ার সঙ্গে কুশনারের বৈঠকে কাতার ও তুরস্কের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। হামাস জানিয়েছে, তারা আলোচনায় প্রস্তুত থাকলেও ভারী অস্ত্র ছাড়ার বিষয়টি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাছাড়া পরিকল্পনা শুরুর আগে ইসরায়েলি আক্রমণ পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানিয়েছে তারা। সোমবারের বৈঠকে
কুশনারের সঙ্গে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রধান নিকোলে ম্লাদেনভও অংশ নেবেন। গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ এখন এই শান্তি আলোচনার ওপর নির্ভর করছে।
গাজার কোনো এলাকা ছাড়বে না। বর্তমানে গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইসরায়েলের এমন অনমনীয় অবস্থানের নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান ও পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশ। তারা যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, শান্তি প্রচেষ্টায় বাধার মূল দায় এখন ইসরায়েলের। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও শান্তি বোর্ডের প্রতি অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে কেউ এই প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে না পারে। মিসরে হামাস নেতা খলিল আল-হাইয়ার সঙ্গে কুশনারের বৈঠকে কাতার ও তুরস্কের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। হামাস জানিয়েছে, তারা আলোচনায় প্রস্তুত থাকলেও ভারী অস্ত্র ছাড়ার বিষয়টি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাছাড়া পরিকল্পনা শুরুর আগে ইসরায়েলি আক্রমণ পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানিয়েছে তারা। সোমবারের বৈঠকে
কুশনারের সঙ্গে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রধান নিকোলে ম্লাদেনভও অংশ নেবেন। গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ এখন এই শান্তি আলোচনার ওপর নির্ভর করছে।



