ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আসন্ন নির্বাচনে যেসব কারণে হেরে যেতে পারেন নেতানিয়াহু
সংকটে রাশিয়া, কপাল খুলছে ইরানের
২৭০০ বিড়াল চুরি করে মাংস বিক্রি!
মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি, সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের মুখে শ্রীলংকান যুবক
ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থী-বিক্ষোভে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগ, ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক; ইউএন ও ভলকার তুর্ক নীরব
যুক্তরাষ্ট্রের পর ইউরোপের উড়োজাহাজ কিনছে সরকার
পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষের সময় সড়কে কিছু সরঞ্জামে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার লিয়ঁতে। ছবি: এএফপি পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষের সময় সড়কে কিছু সরঞ্জামে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার লিয়ঁতে। ছবি: এএফপি
গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১২০টি মানব কঙ্কাল
ফিলিস্তিনের গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে গত দুই দিনে উদ্ধার হয়েছে ১২০টি মানব কঙ্কাল। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। বুধবার (২২ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
গাজার সিভিল ডিফেন্স সদস্য হাইথাম হামস জানান, ‘গত দুই দিনে আমরা ধ্বংসস্তূপ থেকে ১২০টি পচা মরদেহ উদ্ধার করেছি। এসব মরদেহ পুরোপুরি পচে যাওয়ায় কেবল কঙ্কালের অবশিষ্টাংশ রয়েছে। উদ্ধারকৃত অংশগুলো শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।’
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা নিজ নিজ এলাকায় ফিরে এসে তাদের বসতবাড়ি ও জীবনের চিহ্ন খুঁজে পাচ্ছেন না। অধিকাংশ জায়গায় কেবল ধ্বংসস্তূপ আর ধূলামাটির স্তর দেখা যাচ্ছে।
এপির প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা
ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে একটি ব্যক্তির উরুর হাড়, ছেঁড়া শার্ট এবং এক জোড়া প্যান্ট উদ্ধার করছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে। সঠিক পরিসংখ্যান এখনো জানা যায়নি, তবে উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মানবিক পরিস্থিতি চরম সংকটে পড়েছে। খাবার, পানি এবং চিকিৎসা সেবার অভাবে দিন কাটাচ্ছেন বহু ফিলিস্তিনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দ্রুত সহায়তার আবেদন জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে একটি ব্যক্তির উরুর হাড়, ছেঁড়া শার্ট এবং এক জোড়া প্যান্ট উদ্ধার করছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে। সঠিক পরিসংখ্যান এখনো জানা যায়নি, তবে উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মানবিক পরিস্থিতি চরম সংকটে পড়েছে। খাবার, পানি এবং চিকিৎসা সেবার অভাবে দিন কাটাচ্ছেন বহু ফিলিস্তিনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দ্রুত সহায়তার আবেদন জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।



