ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
খুলনায় এনসিপির পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি: আটক ৩
খুলনায় এনসিপির (NCP) নাম ভাঙিয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার সময় হাতেনাতে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ নিজেকে এনসিপি খুলনা জেলা শাখার সদস্য হিসেবে দাপটের সাথে পরিচয় দেন। গুরুতর এই অভিযোগ ওঠার পরপরই নিজেদের দায় এড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সংগঠনটির জেলা নেতৃত্ব।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি চক্র এনসিপির রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে স্থানীয়দের জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে আটক করে। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতরা ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। তাদের বর্তমানে যাচাই-বাছাই
করা হচ্ছে এবং ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, নিজের দলের কর্মীর এমন ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে জেলা এনসিপি। দলটির ভাবমূর্তি রক্ষায় তড়িঘড়ি করে সাফাই গেয়েছেন জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান। তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, আটককৃতরা সংগঠনের কোনো পদে নেই। তবে স্ববিরোধী বক্তব্যে তিনি স্বীকার করেন যে, অভিযুক্ত মিরাজকে এনসিপির বিভিন্ন কর্মসূচীতে দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, দলের কর্মসূচীতে নিয়মিত অংশ নেয়া কর্মীরা যখন চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়, তখন কেবল 'পদ নেই' বলে কি দায় এড়ানো সম্ভব? রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এমন চাঁদাবাজির ঘটনায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
করা হচ্ছে এবং ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, নিজের দলের কর্মীর এমন ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে জেলা এনসিপি। দলটির ভাবমূর্তি রক্ষায় তড়িঘড়ি করে সাফাই গেয়েছেন জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান। তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, আটককৃতরা সংগঠনের কোনো পদে নেই। তবে স্ববিরোধী বক্তব্যে তিনি স্বীকার করেন যে, অভিযুক্ত মিরাজকে এনসিপির বিভিন্ন কর্মসূচীতে দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, দলের কর্মসূচীতে নিয়মিত অংশ নেয়া কর্মীরা যখন চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়, তখন কেবল 'পদ নেই' বলে কি দায় এড়ানো সম্ভব? রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এমন চাঁদাবাজির ঘটনায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।



