খাকি পোশাকের আড়ালে এক ‘পিশাচের’ উত্থান: ২৮তম বিসিএস-এর ‘মীরজাফর’ ডিসি সামী – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ৫:২২ অপরাহ্ণ

আরও খবর

গ্রাম থেকে শহর আজ সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে বলা হচ্ছে না, ভয় দেখিয়ে হাজির করানো হচ্ছে

দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বাংলাদেশ কার্যত এক শূন্য নিরাপত্তার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

সার্বভৌমত্বের সংকটে যখন র‍্যাবকে পালিয়ে আসতে হয় : যেখানে রাষ্ট্রের চেয়ে মাফিয়া বেশি ক্ষমতাবান, সেখানে সংস্কারের গল্প শোনান ইউনুস

মরে গেলে সবাই আফসোস করে, কিন্তু বেঁচে থাকতে কেউ দেখে না”: চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর চিন্তায় ও অনাহারে এক স্ত্রীর হাহাকার

আবেদন করা হয়নি’ বলে অপপ্রচার

আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তাই নির্বাচন ‘প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন’: মেজর হাফিজ

কারাগারে নেতা, কবরে স্ত্রী–সন্তান ভোটের জন্য আদর্শ বিসর্জন

খাকি পোশাকের আড়ালে এক ‘পিশাচের’ উত্থান: ২৮তম বিসিএস-এর ‘মীরজাফর’ ডিসি সামী

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ৫:২২ 54 ভিউ
৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর দেশ যখন একটি কলুষমুক্ত পুলিশ প্রশাসনের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই ডিএমপির ওয়ারী বিভাগে খাকি পোশাকের আড়ালে এক ভয়ঙ্কর দানবীয় রাজত্ব কায়েম করেছেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী। রক্ষকের মুখোশ খুলে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন এক নির্মম ভক্ষক হিসেবে। যার লোলুপ দৃষ্টি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না সাধারণ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে নিজের ব্যাচমেট বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাও। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ২৮তম বিসিএস-এর এই কর্মকর্তার এক ‘রাক্ষসী ক্ষুধা’র চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ উঠেছে, তিনি নিজের আখের গোছাতে ‘হাজার কোটি টাকার মিশনে’ নেমেছেন, আর এই পথের কাঁটা সরাতে তিনি বেছে নিয়েছেন বিশ্বাসঘাকতার এক জঘন্য পথ—বন্ধুদের সর্বনাশ। সিভিল সার্ভিসের ইতিহাসে এমন নজির

বিরল, যেখানে একজন কর্মকর্তা নিজের ব্যাচমেটদের টার্গেট করে একের পর এক মামলা ঠুকে দিচ্ছেন। ডিসি সামী যেন ২৮তম বিসিএস ব্যাচের ‘মীরজাফর’। অনুসন্ধানে জানা যায়, তিনি তার নিজ ব্যাচের প্রায় ১৫ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মামলা সাজিয়েছেন। নুরুল আমিন, হাসান আরাফাত, জুয়েল রানা, নাজমুল ইসলাম, সাহেন সাহ, তানভির ইমন, রহমত উল্লাহ—এরা কেউ ডিসি সামীর শত্রু ছিলেন না, ছিলেন সহকর্মী ও বন্ধু। কিন্তু সামীর অনৈতিক আবদার ও চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোই কাল হয়েছে তাদের জন্য। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ৫-৬টি করে ভুয়া মামলা দিয়ে কাউকে পাঠিয়েছেন কারাগারে, কাউকে বাধ্য করেছেন দেশত্যাগে। বর্তমানে তার প্রতিহিংসার আগুনে পুড়ে ৮ জন ব্যাচমেট মানবেতর

জীবনযাপন করছেন। সহকর্মীদের অভিযোগ, সামীর কাছে বন্ধুত্ব বা সহমর্মিতার কোনো মূল্য নেই, আছে কেবল টাকার নেশা। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়কে ডিসি সামী তার চাঁদাবাজির মৎসব উৎসবে পরিণত করেছেন। তার কৌশল অত্যন্ত ধূর্ত ও ঘৃণ্য। ব্যবসায়ী ও বিত্তশালীদের টার্গেট করে তিনি প্রথমে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ ট্যাগ দেন। জুলাই আন্দোলনের ছাত্র জনতার হত্যা মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে দরকষাকষি। এক সময় ওয়ারী বিভাগের অলিগলিতে এখন একটাই আতঙ্ক ছিল—ডিসি সামীর ‘মামলা-বাণিজ্য’। ভুক্তভোগীদের দাবি, গ্রেপ্তার ও গায়েবী মামলা এড়াতে সামীকে দিতে হয় কোটি কোটি টাকা। টাকা না দিলে কপালপ জুড়ে জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলা আত্মীয়-স্বজনের জমি দখল করে নেওয়ার মতো জঘন্য কাজ করতেও তার হাত

কাঁপে না। গুলশান বিভাগের সাবেক এক ডিসির সঙ্গে আঁতাত করে তিনি যে বদলি বাণিজ্যের সিন্ডিকেট গড়েছিলেন, সেখান থেকেও তিনি মাসিক ১ কোটি টাকা মাসোহারা তুলতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ডিসি সামীর রাজনৈতিক অবস্থান যেন সুবিধাবাদের এক নিকৃষ্ট উদাহরণ। অনুসন্ধানে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাবার এক প্রভাবশালী বন্ধুর সুপারিশে তিনি চাকরি বাগিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি ছিলেন ক্ষমতার পূজারী। অথচ পটপরিবর্তনের সাথে সাথেই তিনি গিরগিটির মতো রং বদলে ফেলেছেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, দিনের আলোতে তিনি পুলিশি দায়িত্ব পালন করলেও, রাতের আঁধারে তিনি বিএনপি অফিসে বসে নিরপরাধ মানুষদের ফাঁসানোর নীল নকশা তৈরি করেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন তার কাছে কেবল ‘মানুষ শিকার’ ও অর্থ উপার্জনের

একটি নতুন সুযোগ মাত্র। নিজেকে সাধু সাজিয়ে তিনি মূলত ব্যক্তিগত শত্রুতা উদ্ধার ও পকেট ভারী করছেন। কেবল আর্থিক দুর্নীতিই নয়, ডিসি সামীর বিরুদ্ধে রয়েছে গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগ। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি বহু নারীর সম্ভ্রমহানি ও জীবন বিষিয়ে তুলেছেন বলে ভুক্তভোগীদের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। খাকি পোশাকের মর্যাদাকে ধুলোয় মিশিয়ে তিনি পুলিশ বাহিনীকে কলঙ্কিত করেছেন। পুলিশ প্রশাসনে চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনার এই ক্রান্তিলগ্নে ডিসি সামীর মতো একজন ‘মাফিয়া’ কর্মকর্তার পদে থাকা পুরো বাহিনীর জন্য এক অশনি সংকেত। ভুক্তভোগী সহকর্মী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের এখন একটাই দাবি—অবিলম্বে এই দুর্বৃত্ত কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে তার হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও অপকর্মের সুষ্ঠু তদন্ত করা

হোক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গ্রাম থেকে শহর আজ সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে বলা হচ্ছে না, ভয় দেখিয়ে হাজির করানো হচ্ছে দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বাংলাদেশ কার্যত এক শূন্য নিরাপত্তার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। সার্বভৌমত্বের সংকটে যখন র‍্যাবকে পালিয়ে আসতে হয় : যেখানে রাষ্ট্রের চেয়ে মাফিয়া বেশি ক্ষমতাবান, সেখানে সংস্কারের গল্প শোনান ইউনুস *ঢাকা বিমানবন্দরে চীনা ও ভারতীয় ব্যবসায়ী–পর্যটকদের ন্যক্কারজনক হয়রানি* মরে গেলে সবাই আফসোস করে, কিন্তু বেঁচে থাকতে কেউ দেখে না”: চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর চিন্তায় ও অনাহারে এক স্ত্রীর হাহাকার আবেদন করা হয়নি’ বলে অপপ্রচার আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তাই নির্বাচন ‘প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন’: মেজর হাফিজ কারাগারে নেতা, কবরে স্ত্রী–সন্তান ভোটের জন্য আদর্শ বিসর্জন ইউনুসের অপশাসনে দেশ, আইনের শাসনের বদলে মববাজির রাজত্ব আরেকটি কারামৃত্যু: বিচারহীনতার সংস্কৃতিতে ‘খুন’ হলেন আ.লীগ নেতা গোলাম মোস্তফা ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা গণতন্ত্র নয়, ‘কর্তৃত্ববাদ’: দ্য প্রিন্টকে হাসিনা সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন অবৈধ—ভোটের নামে প্রহসন চলবে না অবৈধ জামাতি ইউনুস–আসিফ নজরুলের দায়িত্বহীনতা ডুবাচ্ছে দেশের ক্রিকেট। বাংলাদেশের চলমান সংকট নিরসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত ৫ -দফা নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে বাগেরহাটে হৃদয়বিদারক ঘটনা: ফ্যানে ঝুলছিল মা, মেঝেতে পড়ে ছিল শিশুসন্তান মিয়ানমার-বাংলাদেশ সংঘাতের দিকে, ইউনুস সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঝুঁকির মুখে নিখোঁজ ছাত্রলীগকর্মীর হাত পা বাঁধা লাশ মিলল ট্যাংকে ছোটখাটো মামলা, কেন ছাড়ল না? আমার… আপনারা কেমন? সে তো খুনি না, সে তো খুনি না