ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে
৪৮তম বিশেষ বিসিএস ছাত্রলীগ’ তকমা দিয়ে চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ‘মাইনাস’ ২৩ চিকিৎসক!
আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন ‘গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্র’—ড. ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করলেন শেখ হাসিনা
লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ
কড়াইল বস্তিতে ফ্ল্যাটের প্রতিশ্রুতি: তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, ইসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
প্রতিশ্রুতির রাজনীতি, নীরবতার কমিশন তারেক রহমান, বিএনপি, এনসিপি ও রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতার মুখোশ
লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ
ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই তারেকের নাম ব্যবহার করে ‘তদবির বাণিজ্যের’ হিড়িক
পুরোনো সেই দুর্নীতি, তদবির ও প্রভাব বিস্তারের রাজনীতির গুঞ্জনে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম ব্যবহার করে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজির বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে এসেছে।
অভিযোগ উঠেছে, রাষ্ট্রের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও কৌশলগত পদগুলোতে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তি বসাতে একটি বিশেষ চক্র তৎপর হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোকে ঘিরে চলছে প্রকাশ্য তদবির বাণিজ্য। অভিযোগ রয়েছে, এসব পদে নিয়োগ ‘ম্যানেজ’ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ
লেনদেন করা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, এই বিশাল সিন্ডিকেটের পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন বগুড়া অঞ্চলের প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি, তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের স্ত্রী পক্ষের কিছু নিকটাত্মীয়। তারেক রহমানের নাম ভাঙিয়ে তারা প্রশাসনের অভ্যন্তরে নিজস্ব বলয় তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি এ ধরনের অনিয়ম ও দখলদারিত্বের খবর প্রকাশ্যে আসে, তবে তা ভবিষ্যতে দলের ভাবমূর্তি ও রাষ্ট্র পরিচালনার স্বচ্ছতাকে গুরুতর সংকটে ফেলবে। অতীতের দুর্নীতির ছায়া আবারও রাজনীতিকে গ্রাস করছে কি না—এমন আশঙ্কা এখন জনমনে প্রবল হয়ে উঠছে।
লেনদেন করা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, এই বিশাল সিন্ডিকেটের পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন বগুড়া অঞ্চলের প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি, তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের স্ত্রী পক্ষের কিছু নিকটাত্মীয়। তারেক রহমানের নাম ভাঙিয়ে তারা প্রশাসনের অভ্যন্তরে নিজস্ব বলয় তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি এ ধরনের অনিয়ম ও দখলদারিত্বের খবর প্রকাশ্যে আসে, তবে তা ভবিষ্যতে দলের ভাবমূর্তি ও রাষ্ট্র পরিচালনার স্বচ্ছতাকে গুরুতর সংকটে ফেলবে। অতীতের দুর্নীতির ছায়া আবারও রাজনীতিকে গ্রাস করছে কি না—এমন আশঙ্কা এখন জনমনে প্রবল হয়ে উঠছে।



