কুমিল্লা সিটিতে ঘোষিত সময়ে বর্জ্য অপসারণ হয়নি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ June, ২০২৫

কুমিল্লা সিটিতে ঘোষিত সময়ে বর্জ্য অপসারণ হয়নি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ June, ২০২৫ |
কুমিল্লা সিটি কর্পোরশনে ঘোষিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা হয়নি। নগর কর্তৃপক্ষ কুরবানির পশুর বর্জ্য পরিষ্কারের জন্য ১২ ঘণ্টা সময়সীমা নির্ধারণ করেছিল। রোববার দুপুরেও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কুরবানির পশুর বর্জ্য দেখা গেছে। বর্জ্য এবং ময়লা আবর্জনা পড়ে আছে রাস্তার উপর। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বাড়ছে নাগরিক দুর্ভোগ। নগর কর্তৃপক্ষের এমন অব্যবস্থাপনায় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুরবানি পশু জবাইয়ের ১২ ঘণ্টার মধ্যে নগরীর সব ধরনের বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিল কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন। নগরবাসীকে বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য প্লাস্টিক বস্তা সরবরাহ করা হয়। নাগরিকরা যথা নিয়মে নির্ধারিত স্থানে পশুর বর্জ্য জমা করেন। কিন্তু পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ঘোষিত সময়ের মধ্যে

তা অপসারণ করেনি। এতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এদিকে এসব বর্জ্যে কুকুর এবং পোকা মাকড় বসে পরিবেশ দূষণ করছে। নগর কর্তৃপক্ষের এমন অব্যবস্থাপনায় অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। রোববার দুপুরে নগরীর দিগাম্বরী, ফয়জুন্নেসা স্কুলের সামনে পুরাতন চৌধুরীপাড়া, চর্থা, মদিনা মসজিদ সড়কে গিয়ে বর্জ্যের স্তূপ দেখা গেছে। নগরীর দিগাম্বরীতলা এলাকার বাসিন্দা বিপ্লব হোসেন বলেন, ১২ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়ে নগর কর্তৃপক্ষ কথা রাখেনি। ৩০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বর্জ্য পড়ে আছে। একই এলাকার বাসিন্দা মমিনুল হক বলেন, এখনো রাস্তার পাশে বর্জ্য পড়ে আছে। কুকুর বিড়াল এগুলো চাটছে। এতে দুর্গন্ধ যেমন ছড়াচ্ছে তেমনি পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এটা একটা চরম যন্ত্রণাদায়ক বিষয়।

সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেনি। তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার। কুসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, নগরীর সব ধরনের বর্জ্য যথা সময়ে অপসারণ করা হয়েছে। নতুন করে বর্জ্য ফেলে কয়েকটি পয়েন্টে পরিবেশ নোংরা করা হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা সঙ্গে সঙ্গে এসব বর্জ্য তুলে নিয়েছি। তারপরও কোথাও বর্জ্য থাকলে রাতের মধ্যে তা অপসারণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জবি ক্যাম্পাসে পশু জবাই গরুভোজ কর্মসূচি পালিত ৪৫তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি, ৫৫ জন বাদ এনবিআরের ২ কর্মীর কাছে আসে প্রশ্নপত্র, পরে ছড়িয়ে দেওয়া হয় উত্তরসহ: এসআরবি যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এড়িয়ে জ্বালানি রপ্তানি করছে ইরান বাসা থেকে সিজেপির দীপকে আটক, নেহাকে তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ ইরান যুদ্ধে ইউরোপের ক্ষতি ১০০ বিলিয়ন ইউরোর বেশি: স্পেনের প্রধানমন্ত্রী চুয়েটে অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা, অনুপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সদস্য শেরপুরে নকলায় মাজারে ভাঙচুর সৌদি আরবে পৌঁছতে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন অনেকেই মেসির নামে নতুন ফুল, পাপড়িতে আর্জেন্টিনার রং দায়িত্ব নেওয়ার ৫ দিনেরও কম সময়ে পদ ছাড়ছেন কেটি জাকারিয়া বাজারে ক্রেতাদের ক্ষোভ: “আলহামদুলিল্লাহ, পেঁপে-কুমড়া এখনও ৮০ টাকার নিচে, তারেক ভাইয়াকে ধন্যবাদ” ‘ব্লাডমানি’ দিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় বাংলাদেশির জীবন রক্ষা করেছিল শেখ হাসিনার সরকার, অথচ অলক্ষ্যে সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সরকারি জমি দখল করে জামায়াত আমির বললেন, “এখন আমাদের সময়” ‘জুলাইবিরোধী’ ভূমিকায় অভিযুক্ত, ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর পর্তুগাল দলে রোনালদোর ফেরা অনিশ্চিত, জানালেন বোন বিশ্বকাপের প্রস্তুতি: ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে মাঠে ফিরছে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার তৎপরতায় সৌদিতে নবী অবমাননায় লংকান যুবকের মৃত্যুদণ্ড রদ, অথচ বাংলাদেশি প্রেমিক যুগলের মৃত্যুদণ্ডে বেখবর মিশন ও দুই মন্ত্রণালয় সৌদি আরবে নিরাপত্তাঝুঁকি, রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন শঙ্কা জামায়াত নেতাদের হাত ধরে সংসদে যেতে চান হিন্দু নেতারা, মন্দিরের সুরক্ষায় জামায়াতের প্রশংসা