করব্যবস্থা ও নীতি হতে হবে সহজ, উদার – U.S. Bangla News




করব্যবস্থা ও নীতি হতে হবে সহজ, উদার

ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স:-
আপডেটঃ ২৩ মার্চ, ২০২৩ | ৫:২২
আগামী অর্থবছরের বাজেট সামনে রেখে এক আলোচনায় করব্যবস্থা আরও সহজ ও উদার করার সুপারিশ এসেছে। আলোচকরা বলেছেন, করব্যবস্থা পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটালাইজ করতে হবে। বাজেটে সরকারের নীতি হতে হবে উদার এবং ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব। বর্তমান বৈশ্বিক সংকট ও বাংলাদেশে এর প্রভাব এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে তাঁরা আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের পরামর্শ দিয়েছেন। ‘প্রাক-বাজেট আলোচনা ২০২৩-২৪ : বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা’ শিরোনামের এ আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম

মহিউদ্দিন এমপি, বর্তমান সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি ও হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদ । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ব্যারিস্টার সামীর সাত্তার। । নির্ধারিত আলোচকদের বাইরে আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ঢাকা চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো আলোচনা সরাসরি সম্প্রচার করে চ্যানেল টোয়েন্টি ফোর। আয়কর ও ভ্যাট, আর্থিক খাত, শিল্প ও বাণিজ্য এবং অবকাঠামো খাত– এই চার বিষয়ের আলোচকরা বক্তব্য দেন। প্রত্যেক বিষয়ে আলোচনা শুরুর আগে ঢাকা চেম্বারের প্রস্তাবের ওপর প্রতিবেদন প্রচার করা হয়। সালমান এফ রহমান বলেন, যাঁদের আয় করযোগ্য, তাঁদের সবাইকে কর দিতে হবে।

ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর উচিত এ কাজে এনবিআরকে সহযোগিতা করা। তিনি মনে করেন, করব্যবস্থা অবশ্যই স্বয়ংক্রিয় হতে হবে এবং অনেক ক্ষেত্রে যৌক্তিকীকরণ করতে হবে। তবে কর অব্যাহতি এবং ছাড় কমিয়ে আনতে হবে। তা না হলে রাজস্ব আয় বাড়ানো যাবে না। তিনি উল্লেখ করেন, এখন নানা চ্যালেঞ্জ আসছে। উন্নত দেশেও মানুষের মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে সমস্যা হচ্ছে। বাংলাদেশ রপ্তানি খাত চাঙ্গা রয়েছে। রেমিট্যান্স বাড়ছে। দেশের বাজার বড় হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ দেশের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ। পূঁজিবাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে ৯০ শতাংশ বিনিয়োগকারী রিটেইলার বা ব্যক্তি বিনিয়োগকারী। বাকিটা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী। অন্যান্য ফ্রন্টিয়ার বাজারে এর উল্টো। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা নিজ সিদ্ধান্তে বিনিয়োগ

করে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার দায় সরকারের নয়। তারা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিনিয়োগ করতে পারে। রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, তৈরি পোশাকের মতো প্লাস্টিক, ফার্নিচারসহ বিভিন্ন খাত বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা পেতে পারে। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং সময়। কভিডের সংকট সরকার সামাল দিয়েছে। বিশ্বে এখন আরেক সংকট চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশেও ব্যাংক বসে যাচ্ছে। এ কারণে আমাদের আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী অর্থবছরে উচ্চাকাঙ্ক্ষী বাজেট করার সুযোগ নেই। আবার বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। ড. শামসুল আলম বলেন, মূল্যস্ফীতি যাতে না বাড়ে এবং একই সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যাতে ধীর না

হয়– এটি মাথায় রেখেই বাজেট করা হচ্ছে। সরকারকে যাতে কম ধার করতে হয় এবং সামষ্টিক অর্থনীতি যাতে স্থিতিশীল থাকে, তা মাথায় রাখতে হচ্ছে। জ্বালানিতে ভর্তুকি না দিলে এর আমদানিতে কর প্রত্যাহার করার জন্য কয়েকজন আলোচকের মতকে তিনি সমর্থন করেন। শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, এনবিআরকে ব্যবসায়ীদের কথা শুনতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির মনোভাবে পরিবর্তন আনতে হবে। বিতর্কের মাধ্যমেই সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়। তিনি বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ রাখার সুপারিশ করেন। তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো পুরোপুরিভাবে চালু হতে সময় লাগবে। সেখানে অনেকে কারখানা করছেন। এই অর্ন্তর্বতী সময়ে অন্যান্য জায়গায় কারখানায় বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ অন্যান্য ইউটিলিটি যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। এফবিসিসিআই সভাপতি

বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আগামী বাজেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাজস্ব আয় বাড়ানো দরকার, আবার ব্যবসা-বাণিজ্যও চালু রাখা দরকার। তিনি রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের ওপর জোর দেন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে বেশিরভাগ কর আদায় হয় উল্লেখ করে দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে কর আদায় বাড়ানোর পরামর্শ দেন। অন্যদিকে ব্যবসার ওপর অগ্রিম আয়করের চাপ কমানোর সুপারিশ করেন। মো. জসিম উদ্দিন উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ বিজনেস সামিটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য থাকবে না। আগামী বাজেটে ব্যবসায়ীরা এর প্রতিফলন দেখতে চান। ব্যবসাবান্ধব বাজেট চান তাঁরা। এ. কে. আজাদ সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চহারে বৃদ্ধির পরিসংখ্যান উল্লেখ করে বলেন, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের নিশ্চয়তা দিয়ে দাম বাড়ানো হয়েছিল। এখন

বিশ্ববাজারে দাম অনেকটা কমে এসেছে। ফলে দেশে দাম সমন্বয় করা উচিত। তিনি বলেন, পেট্র্রোবাংলার হিসাবেই এখন গ্যাসের যে মজুত আছে, তা পাঁচ বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। পুরোপুরি আমদানিনির্ভর হলে তখন প্রতি মাসে ৮ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে। অন্যদিকে এলএনজি টার্মিনাল বর্তমানের দুটির জায়গায় ১৭টি লাগবে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৫ আগস্ট এলএনজির ইউনিটপ্রতি দাম ছিল ৬৯ ডলার। এখন ১৩ ডলারে নেমে এসেছে। ফলে গ্যাসের দাম কমানো উচিত। কেননা রপ্তানি সেভাবে বাড়ছে না। এ অবস্থায় গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ না থাকলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়বে। তিনি রপ্তানি খাতে রিসাইকেল প্রক্রিয়ার উৎপাদন বাজেটে সহায়তা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ

করেন, পোশাকের বড় ক্রেতারা জানাচ্ছেন, ২০২৫ সালের পর অন্তত ২৫ শতাংশ পণ্য রিসাইকেল প্রক্রিয়ায় উৎপাদন না হলে তাঁরা কিনবেন না। বিটিএমএ এ জন্য পুরোনো কাপড় আমদানির অনুমতি চাইছে। বাজেটে এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত থাকা উচিত। তিনি বলেন, উদ্যোক্তারা বিদ্যুতের জন্য ছাদে সোলার প্যানেল বসাতে চান। কিন্তু এর উপকরণ আমদানির ওপর কর অত্যন্ত বেশি। বাজেটে এ বিষয়ে পদক্ষেপ আশা করেন তিনি। এ ছাড়া তিনি বাসাবাড়িতে গ্যাসের যে ১৩ শতাংশ ব্যবহার রয়েছে, তা এলপিজির মাধ্যমে প্রতিস্থাপনের সুপারিশ করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ বছর বাজেট প্রণয়নে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে নিম্ন আয়ের মানুষকে রক্ষা করতে হবে। তিনি সংবাদপত্র শিল্পের ওপর

করের বোঝা কমাতে বাজেটে পদক্ষেপ আশা করেন। আয়কর ও ভ্যাট : আয়কর ও ভ্যাট নিয়ে আলোচনায় ইউনিলিভার বাংলাদেশের সিইও জাভেদ আখতার বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন দেশের করহার পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন। বাংলাদেশে করপোরেট করহার গত কয়েক বছরে কমানো হয়েছে। তবে অননুমোদনযোগ্য ব্যয়ের শর্তের কারণে কার্যকর করের হার বেড়ে যাচ্ছে। তিনি কর ব্যবস্থার সব ক্ষেত্রে ডিজিটাইজেশনের সুপারিশ করেন। আইসিএবির সাবেক সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, করের আওতা বাড়ানোর কথা বহু বছর ধরে বলা হচ্ছে। অথচ কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ছে না। তিনি মনে করেন, জিডিপিতে অবদান পর্যালোচনা করে যেসব খাতের অবদান বাড়ছে, কর বাড়ানোর ক্ষেত্রে সে দিকে নজর দেওয়া উচিত। এনবিআরের সাবেক সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, করজাল আসলেই বাড়াতে হবে। ৩০ লাখ মানুষ রিটার্ন দাখিল করেন, যা জনসংখ্যার মাত্র ২ শতাংশ। করজাল বাড়াতে শুধু এনবিআরের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে। আর্থিক খাত : এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ও ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থতি স্বাভাবিক নয়। এ সময় ‘আউট অব দ্য বক্স’ চিন্তা করতে হবে। তালিকাভুক্ত কোম্পানির লভ্যাংশ পুরোপুরি করমুক্ত করা যেতে পারে। তালিকাভুক্ত এবং অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির করের পার্থক্য ফের পর্যালোচনা করা যেতে পারে। সানেমের নির্বাহী পরিচালক, অর্থনীতিবিদ ড. সেলিম রায়হান বলেন, বাংলাদেশ সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য এক বছর ধরে লড়াই করছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো খাদ্য নিরাপত্তা। কর ব্যবস্থায় সংস্কারের জন্য রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ঘাটতি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, অংশীদারদের সঙ্গে বসে স্বচ্ছতার মাধ্যমে সংস্কার করতে হবে। শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান বলেন, এসএমই কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনার উৎসাহ দিতে হবে। প্রাইভেট ইক্যুইটি ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল তহবিল আকৃষ্ট করার নীতি গ্রহণ করতে হবে। সিটি ব্যাংকের সিইও মাশরুর আরেফিন বলেন, সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক বন্ধ হয়েছে মূলধন পর্যাপ্ততার অভাবে নয়, আস্থা হারিয়ে আমানত উত্তোলনের কারণে হয়েছে। আস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে সামগ্রিকভাবে তারল্য সংকট নেই। কয়েকটি ব্যাংকের সমস্যা থাকতে পারে। শিল্প ও বাণিজ্য : প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী বলেন, সামগ্রিক কর ব্যবস্থা সহজ করতে হবে। যৌক্তিক করতে হবে। নতুন কোনো কর আরোপ না করে উদারভাবে চিন্তা করতে হবে। রপ্তানি বহুমুখীকরণ করতে হবে। সব রপ্তানি খাতকে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা দিতে হবে। বিজিএমইএর পরিচালক আসিফ আশরাফ ম্যান মেইড ফাইবারের পোশাক তৈরিতে আগামী বাজেটে সহায়তা চান। বিটিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন পোশাক বর্জ্য থেকে ফের উৎপাদনের (রিসাইকেল) জন্য সরকারের সহায়তা দাবি করেন। আনোয়ার গ্রুপের এমডি হোসেন খালেদ বলেন, আমলাতন্ত্র ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে গ্যাপ দূর করতে হবে। তার মতে, ব্যবসা কমে যাচ্ছে। এলসি খোলা যাচ্ছে খুব কম। ৩০ থেকে ৪০ শতাংশের বেশি উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। অবকাঠামো : আব্দুল মোনেম লিমিটেডের এমডি মাইনুদ্দিন মোনেম বলেন, অবকাঠামো নিয়ে প্রচলিত চিন্তার পরিবর্তে বাণিজ্য, ট্রানজিট ও লজিস্টিকস মিলিয়ে উদ্যোগ নিতে হবে। কনফিডেন্স গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ইমরান করিম। তিনি সব জ্বালানির ওপর একই হারে কর আরোপের সুপারিশ করেন। তিনি মনে করেন, ভর্তুকি তুলে নিলে করও প্রত্যাহার করা উচিত। নোকিয়া বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড আরিফুল ইসলাম টেলিযোগাযোগ অবকঠামোর ওপর করহার কমানোর সুপারিশ করেন।
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ফায়ার সেফটির বালাই নেই নামিদামি রেস্টুরেন্টে রাবির ভর্তি পরীক্ষা, আবাসন-চিকিৎসাসহ নানা পদক্ষেপ ভয়াবহ দাবানল টেক্সাসে বিশ্বের ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ স্থূলতায় আক্রান্ত কংগ্রেসে ইসরাইলের ‘আত্মরক্ষা বিল’ চান বাইডেন! ইরানে ভোটগ্রহণ, শেষে এগিয়ে রক্ষণশীলরা টেলিটকের এমডিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা মালয়েশিয়ায় বসছে আন্তর্জাতিক মুসলিম নারী সম্মেলনের আসর মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ প্রবাসীদের দেশে ফেরার সুযোগ পল্লবীতে ইন্টারনেট অফিসে ককটেল বিস্ফোরণ, ১ জন আটক মিঠে কড়া সংলাপ বাজার ঠিক করাই এখন প্রথম দায়িত্ব ৬ বছরের প্রেম, বাংলাদেশি রিয়াজের সঙ্গে মালয়েশিয়ান তরুণীর বিয়ে একাই দাফন করেছেন ১৭ হাজার লাশ! সাড়ে ৩ কোটি টাকা হাতানোর অভিযোগ নিয়ে সিএমপিতে তোলপাড় অগ্নিকুণ্ডের ওপর ঢাকার মানুষ স্বাধীন দেশের বার্তা নিয়ে উড়ল মানচিত্র খচিত পতাকা আরও ৩-৪ বার বাড়বে বিদ্যুতের দাম অবহেলায় অন্তহীন খেসারত ১৩ দিনে আগে বিদায়, তবুও তারা নিলেন বিপিএলের সেরার পুরস্কার পশ্চিমবঙ্গে প্রথম নির্বাচনি প্রচারে যা বললেন মোদি