উৎসবে রঙিন পাহাড় – U.S. Bangla News




উৎসবে রঙিন পাহাড়

ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স:-
আপডেটঃ ১২ এপ্রিল, ২০২৩ | ৪:১১
পুরোনো বছর বিদায় ও নতুন বছরকে বরণে পাহাড়ে চলছে সাজ সাজ বর। বৈসু-সাংগ্রাই-বিজু ও বাংলা নববর্ষের উৎসবে মেতেছে পাহাড়বাসী। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে উঠেছে বর্ষ বিদায় ও বরণ উৎসব, যা ‘বৈসাবি’ নামে পরিচিত। বাংলা বর্ষের শেষ দিনে চাকমারা ‘ফুল বিজু’, ত্রিপুরা সম্প্রদায়েরা ‘হাঁরিবৈসু’ আর মারমা সম্প্রদায়ে ‘সূচিকাজ’ নামে পালন করে, যা ‘ফুল বৈসু/ফুল বিজু নামে পরিচিত। চেঙ্গী নদী হাজার হাজার মানুষের আগামনে মুখরিত হয়ে ওঠে। এ ফুল বিজু/বৈসুর দিনের চেঙ্গী পাড়ে ত্রিপুরা, চাকমা, মারমা ও বাঙ্গালি সম্প্রদায়ের নিজ নিজ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে ফুল দিয়ে গঙ্গাদেবীকে প্রণাম জানাতে আসেন। এ সময় খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান, জেলা

পুলিশ সুপার মো. নাইমুল হক ও পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া ফুলেল শ্রদ্ধা জানা। এরই মধ্য শুরু হয়েছে বৈসাবি’র আয়োজন। জলে ফুল দেওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে এই উৎসব। ১৪ এপ্রিল মারমা সম্প্রদায়ের ‘জলকেলি’র উৎসব হবে। বুধবার সকালে খাগড়াছড়িতে উদযাপিত হয় ফুল বিজু। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নানা বয়সী পাহাড়িরা মা গঙ্গাকে উদ্দেশে নদীতে পবিত্র ফুল দিয়ে প্রণাম জানান। উৎসবে নারীরা বাহারি রঙের ঐতিহ্যবাহী রিনাই-রিসা, পিনোন-হাদি পরেন। আর ছেলেরা ধুতি, পাঞ্জাবি/ফতুয়া পরে চেঙ্গী নদীতে ফুল দিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন। ফুল ভাসানোর মধ্যে দিয়ে পুরোনো বছরের গ্লানি মুছে নতুন বছর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি আসবে এমনটাই প্রত্যাশা তাদের।

তবে করোনার দুই বছরের বিষাদ ও বেদনা ভুলে আবারও প্রিয় বৈসাবি উদযাপন করতে পেরে খুশি। জেলা শহরের খবং পড়িয়াস্থ চেঙ্গী নদীতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় চাকমা সম্প্রদায়ের এক প্রতিনিধি জানান, এটি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের ঐহিত্যবাহী সামাজিক উৎসব।পুরোনো বছরের দুঃখ, গ্লানিকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সুখে, শান্তিতে এবং আনন্দে কাটাতে পারি সেজন্য মা গঙ্গা দেবীর কাছে প্রার্থনা করি। চৈত্র মাসের শেষ দিনকে চাকমা সম্প্রদায়ের মূল বিজু। এর আগের দিনকে ফুল বিজু, আর পহেলা বৈশাখ পরিচিত গোজ্যেপোজ্যে/গজ্জ্যা পুজ্জ্যা দিন হিসেবে। পাড়ায় ঘুরে ঘুরে, খেয়ে দিনটি পার করেন চাকমারা। বাংলা বছরের শেষ দুই দিন ও নববর্ষের প্রথম দিন বৈসু পালন করা হয়। বিজু মানে

ভ্রাতৃত্বের বন্ধন, সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করা, সর্বোপরি বিজু মানে হলো মিলনমেলা। ঠিক তেমনি বাংলা বছরের শেষ দুই দিন ও নববর্ষের প্রথম দিন বৈসু পালন করা হয়।
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঢাকায় মার্কিন প্রতিনিধিদল, নতুন প্রেক্ষাপটে নানা বিষয়ে আলোচনা শুরু সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্যদের নামের গেজেট প্রকাশ রোববার নাভালনিকে গোপনে সমাহিত করতে পরিবারকে ‘চাপ’! আমার জীবনটা এলোমেলো হয়ে গেল: শেহতাজ পেঁয়াজের দাম কমে আসবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে টিকিটের চাহিদা ২০০ গুণ বেশি পিলখানা ট্র্যাজেডি রোববার সামরিক কবরস্থানে শ্রদ্ধা জানাবে বিএনপি ইউক্রেন যুদ্ধের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে কিয়েভে পশ্চিমা নেতারা বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাগানে পড়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৫০০ কেজি ওজনের বোমা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন আমির খসরু সাবেক স্ত্রীকে দেয়া চিঠিতে যা লিখেছেন আলভেজ রাজধানীতে কারামুক্ত নেতাদের নিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ খেলার মাঠে মেলা উচ্ছেদ করে মালামাল নিলামে বিক্রি বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত মজুতদারদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লক ইট তৈরিতে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করবে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী ফিলিস্তিনে ইয়াসির আরাফাতের বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল ইসরাইল দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা সম্ভব: দীপু মনি সফরে আসা প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানাল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস