উনার কাছে তো আমার অনেক ঋণ: রুমিন ফারহানা – U.S. Bangla News




উনার কাছে তো আমার অনেক ঋণ: রুমিন ফারহানা

ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স:-
আপডেটঃ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ | ৯:৫৭
বিএনপির রাজনীতিতে রুমিন ফারহানা বেশ আলোচিত নাম। পেশায় আইনজীবী এই তরুণ নেত্রী রাজনীতিতে এসে স্বল্প সময়েই বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সমসাময়িক ইস্যুতে তার ক্ষুরধার বক্তব্য, আইনি ব্যাখ্যা, যুক্তি দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার ক্ষমতা তাকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। বাবার মৃত্যুর পর রুমিন ফারহানা রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তার বিএনপির রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার নেপথ্যে কী কারণ সেটি নিয়েও পাঠকদের আগ্রহ রয়েছে। সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় বিএনপির রাজনীতিতে যোগদানের কারণ ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, আমার বাবা যখন অসুস্থ তখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের বাসায় এসেছেন, আমার বাবাকে দেখে গেছেন। আমার বাবা যেদিন মারা যান ২০ অক্টোবর,

সেদিন সকালের ফ্লাইটে উনি চীন থেকে আসেন। এটা একটা বেশ দীর্ঘ ফ্লাইট এবং বেশ কষ্টকর। উনি পারতেন বাসায় এসে বিশ্রাম নিয়ে পরবর্তীতে আমাদের বাসায় এসে সমবেদনা জানাতে; কিন্তু উনি তা করেননি। উনি এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি হাসপাতালে এসেছেন। তিনি বলেন, আমি আমার বাবার একমাত্র সন্তান। আমি আমার বাবাকে যেদিন হারাই সেদিন মনে হয়েছে আমি পৃথিবীর সবকিছু হারিয়ে ফেলেছি। এ সময় উনি যখন আমার মাথায় হাত দিয়ে আমাকে সান্ত্বনা জানিয়েছিলেন, তখনই তার প্রতি আমার একটা ঋণ তৈরি হয়ে যায়। তারপর থেকে আমি সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেছি সেই ঋণ পরিশোধের। রুমিন বলেন, ২০১৩-১৪ সালে যখন দেশে উত্তাল সময়; কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে

না।আমি এ কথাগুলো আগে কখনো বলিনি। তবে অনেকেই বলে তো যে হঠাৎ কিভাবে রুমিন ফারহানা উদয় হলো। তাদের উদ্দেশেই আজকে বলি- কাউকে দেখা যায়নি ২০১৩-১৪ সালে। সবাই গর্তের নিচে ছিলেন। তখনই রুমিন প্রত্যেক রাতে দুটো-তিনটা চ্যানেলে টকশো করেছেন। কারণ চ্যানেলগুলো কী করবে, পরিচিত মুখগুলো তো নেই। পরিচিত মুখগুলো হারিয়ে গেছে। তখন এই অপরিচিত রুমিনকেই নিতে হয়েছে। অপরিচিত রুমিনই চ্যানেল থেকে চ্যানেলে ঘুরে ঘুরে বিএনপির কথা বলেছেন। ২০১৩-১৫ সাল, আজকাল তো কোনো কিছু মুছে যায় না; আর্কাইভে সব থাকে। ওই সময় কারা গেছেন, কাদের চেহারা দেখা গেছে, আর্কাইভ ঘাটলেই দেখা যাবে। তো সুতরাং ওই সময় আমি চেষ্টা করেছি দেশনেত্রীর ঋণ কিছুটা

হলেও শোধ করার। আমার তো অনেক ঋণ উনার কাছে। তিনি বলেন, আমার বাবার মৃত্যুর এক বছর পর উনি আমাকে একরকম না জানিয়েই ফরেইন অ্যাফেয়ার্স টিমের মেম্বার করেন। তখন ফরেইন অ্যাফেয়ার্স টিমের মেম্বার ছিলেন মাত্র ১০ জন। আমি বাদে বাকি ৯ জনই আমার বাবার সঙ্গে রাজনীতি করা। অর্থাৎ অত্যন্ত সিনিয়র রাজনীতিবিদ। ২০১২-১৩ সালে আমি তখন একদমই ছোট; কিন্তু উনি আমাকে সেই টিমের সদস্য করেন। সেই টিমের মিটিংয়ে আমি যখন ঘরের দরজা খুলে ঢুকি, তখন আমি ভেবেছিলাম ভুল ঘরে ঢুকে পড়েছি। কারণ সেখানে সবাই আমার বাবার বন্ধু। ওসমান ফারুক, শমসের মুবিন চৌধুরী, রিয়াজ রহমান, সাবিউদ্দিন আহমেদ এত সিনিয়র মেম্বার চারপাশে। আমি ভেবেছি

নিশ্চয়ই আমি ভুল ঘরে এসেছি। পরে আমাকে বলা হলো, না আমাকে আসলে এই কমিটির সদস্য করা হয়েছে। তো এই ঋণগুলো উনার কাছে আমার আছে।
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিয়েছেন বেনজীর, আলামত পেয়েছে দুদক ঢাকার পানিতে মিলল ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান স্বাভাবিক জীবনে না ফিরলে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চীনে ১২ কোটি বছর আগের ডাইনোসরের ৪০০ পায়ের ছাপ সোয়া দুই কোটি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হবে শনিবার গার্মেন্ট শ্রমিকদের টিসিবির স্মার্ট কার্ড দেওয়ার সুপারিশ জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পর্যালোচনা করছে দুদক যুক্তরাজ্যে ভেঙে দেওয়া হলো পার্লামেন্ট ভাষণে নয়, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে দেশ স্বাধীন হয়েছে: গয়েশ্বর বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা চালু করছে ওমান এমপি আনার হত্যার তদন্ত নিয়ে যা বলল ভারত সরকারি চাকরির শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের তাগিদ এমপি আজিম হত্যা মামলা কনক্লুসিভ পর্যায়ে রয়েছে: হারুন এমপি আজিম হত্যা: কলকাতায় তদন্ত শেষে যেসব তথ্য দিলেন ডিবির হারুন আজিমের দেহ খণ্ডাংশ উদ্ধার অভিযান শেষে ঢাকায় ফিরলেন ডিবির হারুন ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব হেলিকপ্টার থেকে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী ঈদের আগে পরে ৬ দিন মহাসড়কে চলবে না ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান-লরি ঘূর্ণিঝড় রেমালে পৌনে ২ লাখ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষতি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ‘লোন উলফ’ হামলার হুমকি মিশর-গাজা সীমান্ত দখলে নিয়েছে ইসরাইল