ঈদযাত্রায় সদরঘাটে ২৭ লাখ যাত্রীর চাপ থাকবে: জাতীয় কমিটি – U.S. Bangla News




ঈদযাত্রায় সদরঘাটে ২৭ লাখ যাত্রীর চাপ থাকবে: জাতীয় কমিটি

ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স:-
আপডেটঃ ১১ এপ্রিল, ২০২৩ | ৫:৫৪
পদ্মা সেতুর কারণে লঞ্চে করে বরিশালগামী যাত্রীর সংখ্যা কমলেও আসন্ন ঈদে ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘরমুখো মানুষের অস্বাভাবিক চাপের মুখে পড়বে বলে জানিয়েছে নৌ পরিবহন, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি। এ কমিটির একটি প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতিদিন ৩ লাখ লোক হিসেবে ৯ দিনে গড়ে কমপক্ষে ২৭ লাখ লোক সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল দিয়ে বাড়ি যাবে। আজ মঙ্গলবার সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশিস কুমার দে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতি বছর ঈদুল ফিতরে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে যায় প্রায় দেড় কোটি মানুষ। এর মধ্যে ৩৭ দশমিক ৫০ লাখ (২৫ শতাংশ) নৌপথে যাতায়াত

করে। এর প্রায় শতভাগই উপকূলীয় জেলা বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, চাঁদপুর, শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের যাত্রী। নাগরিক সংগঠনটি জানায়, গত জুনে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর চাঁদপুর বাদে উপকূলীয় জেলাগুলোর নৌপথে যাত্রীর হার প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। ফলে এবারের ঈদে লঞ্চে ৩০ লাখ মানুষ (মোট যাত্রীর ২০ শতাংশ) যাবেন এবং তাদের মধ্যে অন্তত ২৭ লাখ ঢাকা নদীবন্দর দিয়ে যাবেন। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামাল দিতে এবং ঝামেলামুক্ত ও নিরাপদ ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সরকারকে বিকল্প উপায়ে জাহাজের সংখ্যা বাড়াতে সুপারিশ করেছে জাতীয় কমিটি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল থেকে গৃহমুখী মানুষের ভিড় শুরু হবে। বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চলের নৌপথের সকল যাত্রী ১৩ থেকে ২১

এপ্রিল (ঈদের আগের দিন) ৯ দিনের মধ্যে বাড়ি ফিরবেন। এর ফলে প্রতিদিন সদরঘাট টার্মিনাল দিয়ে ৩ লাখ মানুষ যাতায়াত করবে এবং বাকি যাত্রীরা নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহার করবে। নাব্যতা সংকটের কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে সরকারিভাবে ৪১টি নৌপথ ছিল। তবে নাব্যতা সংকট ও যাত্রী সংকটের কারণে অন্তত ১৫টি নৌপথ ইতোমধ্যে পরিত্যক্ত হয়েছে। জাহাজের স্বল্পতার কথা উল্লেখ করে জাতীয় কমিটি বলেছে, বাকি ২৬টি নৌপথে নিয়মিত সর্বোচ্চ ৭০টি লঞ্চ চলাচল করে। ঈদের আগে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৮০-এর কাছাকাছি। এর মধ্যে সদরঘাট থেকে ৯০টি নৌযান বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এবং বাকি ৯০টি বিভিন্ন স্থান থেকে আসবে। নাগরিক সংগঠনটি আরও জানায়,

প্রতিদিন ৯০টি লঞ্চে ৩ লাখ যাত্রী পরিবহন করলে একটি লঞ্চ গড়ে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ যাত্রী বহন করবে। কিন্তু লঞ্চগুলোর কোনোটিরই ধারণক্ষমতা দুই হাজারের বেশি নেই। এমনকি অনেক লঞ্চের যাত্রী ধারণক্ষমতা ১ হাজারেরও কম। এ ছাড়াও ঈদের আগের ৩ দিনে ভিড় বাড়বে দেড় গুণ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অনেক লঞ্চ চাপ সামলানোর ক্ষমতার বাইরে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ যাত্রী বহন করে। এর ফলে ছাদে ও ডেকে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হয়। সংগঠনটি নৌপথে দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগের ঝুঁকি কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছে। এ ছাড়াও নৌপথ ও টার্মিনালগুলোতে সর্বোচ্চ নজরদারি এবং কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের

প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ফায়ার সেফটির বালাই নেই নামিদামি রেস্টুরেন্টে রাবির ভর্তি পরীক্ষা, আবাসন-চিকিৎসাসহ নানা পদক্ষেপ ভয়াবহ দাবানল টেক্সাসে বিশ্বের ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ স্থূলতায় আক্রান্ত কংগ্রেসে ইসরাইলের ‘আত্মরক্ষা বিল’ চান বাইডেন! ইরানে ভোটগ্রহণ, শেষে এগিয়ে রক্ষণশীলরা টেলিটকের এমডিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা মালয়েশিয়ায় বসছে আন্তর্জাতিক মুসলিম নারী সম্মেলনের আসর মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ প্রবাসীদের দেশে ফেরার সুযোগ পল্লবীতে ইন্টারনেট অফিসে ককটেল বিস্ফোরণ, ১ জন আটক মিঠে কড়া সংলাপ বাজার ঠিক করাই এখন প্রথম দায়িত্ব ৬ বছরের প্রেম, বাংলাদেশি রিয়াজের সঙ্গে মালয়েশিয়ান তরুণীর বিয়ে একাই দাফন করেছেন ১৭ হাজার লাশ! সাড়ে ৩ কোটি টাকা হাতানোর অভিযোগ নিয়ে সিএমপিতে তোলপাড় অগ্নিকুণ্ডের ওপর ঢাকার মানুষ স্বাধীন দেশের বার্তা নিয়ে উড়ল মানচিত্র খচিত পতাকা আরও ৩-৪ বার বাড়বে বিদ্যুতের দাম অবহেলায় অন্তহীন খেসারত ১৩ দিনে আগে বিদায়, তবুও তারা নিলেন বিপিএলের সেরার পুরস্কার পশ্চিমবঙ্গে প্রথম নির্বাচনি প্রচারে যা বললেন মোদি