ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“ড. ইউনূস উন্নয়ন করেনাই, ক্ষতি ছাড়া কোন লাভ হয় নাই; কামাইয়ের প্রচুর ক্ষতি হইছে, সংসার চলতেছে না” — জনতার ক্ষোভ
গণহত্যা ১৯৭১: হরিণাগোপাল-বাগবাটী
ইউনূসের অদক্ষতায় রূপপুরে ব্যয় বেড়েছে ২৬ হাজার কোটি, জনগণের ঘাড়ে বিশাল বোঝা
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় শিক্ষার্থীদের সনদ বাতিল: ড. ইউনূসকে কঠোর বার্তা আন্তর্জাতিক সংগঠনের
ক্ষমতার মোহ নয়, সাধারণ মানুষের হৃদয়েই থাকতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু: ড. কামাল হোসেন
৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯: ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নাম মুছে যেভাবে ‘বাংলাদেশ’ নাম দিলেন বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইইউ পার্লামেন্ট সদস্যের সাথে ‘হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফাউন্ডেশন’-এর বৈঠক
ইউনুসের পদত্যাগ ও ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ বন্ধের দাবিতে ঢাকা লকডাউনের ডাক, কঠোর হুঁশিয়ারি পঙ্কজ দেবনাথের
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ এবং ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ বন্ধের দাবিতে আগামী ১৩ নভেম্বর রাজধানী ঢাকা লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটি জানিয়েছে, এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো “অবৈধ সরকারের গণবিরোধী কর্মকাণ্ড ও বিচারের নামে প্রহসন” বন্ধ করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ। তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণ লকডাউনে বাধা দিলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।”
এক বিবৃতিতে পঙ্কজ দেবনাথ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে রাজপথে নামতে হবে। ঢাকার প্রত্যেকটি প্রবেশপথ বন্ধ করে দিতে হবে। এই ইউনুস
সরকারের পেটুয়া বাহিনীকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই প্রতিহত করতে হবে।” চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “বিচারের নামে যে প্রহসন চলছে, তা বন্ধ করতে আমরা বাধ্য করব। আওয়ামী লীগ জনগণের দল এবং এই আন্দোলন গণমানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলন।” তিনি দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। এদিকে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঢাকার প্রতিটি প্রবেশমুখে দলের নেতাকর্মীরা কঠোর অবস্থান নেবেন, যাতে কোনো অরাজনৈতিক বা সন্ত্রাসী শক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ না পায়। আওয়ামী লীগের এই কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার পর রাজধানীতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ
বাড়ছে এবং জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সরকারের পেটুয়া বাহিনীকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই প্রতিহত করতে হবে।” চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “বিচারের নামে যে প্রহসন চলছে, তা বন্ধ করতে আমরা বাধ্য করব। আওয়ামী লীগ জনগণের দল এবং এই আন্দোলন গণমানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলন।” তিনি দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। এদিকে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঢাকার প্রতিটি প্রবেশমুখে দলের নেতাকর্মীরা কঠোর অবস্থান নেবেন, যাতে কোনো অরাজনৈতিক বা সন্ত্রাসী শক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ না পায়। আওয়ামী লীগের এই কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার পর রাজধানীতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ
বাড়ছে এবং জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।



