আসামিদের আবেদন খারিজ মামলা চলবে – U.S. Bangla News




আসামিদের আবেদন খারিজ মামলা চলবে

ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স:-
আপডেটঃ ১৭ জানুয়ারি, ২০২৩ | ১০:২৮
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির মামলা বাতিলের দুই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন নিউইয়র্কের আদালত। দেশটির সুপ্রিমকোর্ট বা স্টেট কোর্ট ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন বা আরসিবিসি ও ছয় আসামির করা মামলা বাতিলের আবেদন ১৩ জানুয়ারি খারিজ করে দিয়েছেন। পাশাপাশি এ মামলার অভিযুক্ত অপর আসামি কিম অংয়ের মামলা বাতিলের আবেদনও খারিজ করে দেওয়া হয়। নিউইয়র্কের আদালতের এ রায়ের ফলে বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির মামলার অভিযুক্ত ফিলিপাইনের আরসিবিসি, কিম অংসহ ১৮ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা চলার ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা নেই। অভিযুক্তদের আগামী ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে এবং একইসঙ্গে মধ্যস্থতার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এর মাধ্যমে রিজার্ভের চুরি হওয়া অর্থ ফেরত আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ সোমবার এক বিবৃতিতে মামলার এই হালনাগাদ তথ্য জানিয়েছে। বিএফআইইউ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ফর দ্য সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউইয়র্ক বা ফেডারেল আদালতে ফিলিপাইনের বেসরকারি খাতের ব্যাংক আরসিবিসিসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ উদ্ধারে এ মামলা করা হয়। পরে ওই মামলা বাতিলে সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করে আরসিবিসিসহ ছয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ফেডারেল আদালত

২০২০ সালের ২০ মার্চ মামলা বাতিলের ওই আবেদন খারিজ করে মামলাটি ফেডারেল আদালতের বদলে স্টেট কোর্টে পরিচালনার নির্দেশ দেন। ফেডারেল আদালতের ওই নির্দেশনার পর ২০২০ সালের ২৭ মে নিউইয়র্কের সুপ্রিমকোর্ট তথা ডিস্ট্রিক্ট আদালতে নতুন করে মামলা করে বাংলাদেশ। নতুন আদালতেও মামলা বাতিলের আবেদন করে আরসিবিসিসহ ছয় আসামি। তাদের এ আবেদনের ওপর একাধিক শুনানি হয়। এদিকে সর্বশেষ ১৩ জানুয়ারি নিউইয়র্ক ডিস্ট্রিক্ট আদালত যে রায় দিয়েছেন, সেখানে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ক্ষেত্রে আরসিবিসির উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যোগসাজশ ছিল। আরসিবিসির নিউইয়র্কের হিসাব ব্যবহার না হলে এবং আরসিবিসির ফিলিপাইনের অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের সহযোগিতা না থাকলে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে এ

অর্থ অন্য কোথাও যাওয়ার সুযোগ ছিল না। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে নিউইয়র্কের ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ১ হাজার ৬২৩ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮১০ কোটি টাকা) চুরির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুই কোটি ডলার শ্রীলংকা থেকে উদ্ধার করা হয়। বাকি আট কোটি ডলারের বেশি ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংক হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চলে যায়। সেখান থেকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের সহযোগিতায় মাত্র দেড় কোটি ডলার উদ্ধারে সমর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। বাকি অর্থ উদ্ধারেই মামলা চলছে নিউইয়র্কের আদালতে।
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ডমিঙ্গোর অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশকে হারাতে চায় নেদারল্যান্ডস দুয়ারে শানকার দুর্বল ব্যাংক রক্ষায় অর্থনীতি ধ্বংস করা যাবে না দুদক আইনজীবী বললেন বেনজীরের বিরুদ্ধে দ্রুতই মামলা টানা তিন দিন সারাদেশে বৃষ্টি হতে পারে শেষ সময়ে বাড়তে পারে সড়কে চাপ, বিলম্বের ভয় ট্রেনে ওয়াল স্ট্রিট খেয়ে রিয়াজ এখন মতিঝিলপাড়ায় সেন্টমার্টিনে কী হচ্ছে ঈদের পর নতুন সূচিতে চলবে মেট্রোরেল মহাসড়ক থেকে অলিগলি পশুর হাটের দখলে চরমভাবে ব্যর্থ আ’লীগ দেউলিয়া হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল অ্যাকশন-থ্রিলার-মার্ডার মিস্ট্রি সিরিজে ওটিটি ঈদ আয়োজন কাস্টমসের সেই ওয়াহিদার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা নিয়ে হামাস-ব্লিঙ্কেন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ইসরাইলই গাজায় যুদ্ধবিরতির পথে অন্তরায়: হামাস এমপি আজিম হত্যা: আ. লীগ নেতা মিন্টু ৮ দিনের রিমান্ডে ডাচদের সঙ্গে পরিসংখ্যানে এগিয়ে বাংলাদেশ ২৩ জুন পর্যন্ত বাল্কহেড চলাচল বন্ধ ঘোষণা আরেক মামলায় বেকসুর খালাস ইমরান খান ইউক্রেনের সঙ্গে ১০ বছরের নিরাপত্তা চুক্তি করবে যুক্তরাষ্ট্র