ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতে ক্যানসার ওষুধের দাম কমতে পারে ৭০ শতাংশ
আসন্ন নির্বাচনে যেসব কারণে হেরে যেতে পারেন নেতানিয়াহু
সংকটে রাশিয়া, কপাল খুলছে ইরানের
২৭০০ বিড়াল চুরি করে মাংস বিক্রি!
মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি, সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের মুখে শ্রীলংকান যুবক
ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থী-বিক্ষোভে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগ, ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক; ইউএন ও ভলকার তুর্ক নীরব
যুক্তরাষ্ট্রের পর ইউরোপের উড়োজাহাজ কিনছে সরকার
আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস পর্যবেক্ষণে আবারও আলোচনায় বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট জঙ্গি যোগসূত্র
ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর শাখা সংগঠন ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’ (আইএমকে)-এর বিরুদ্ধে একটি জঙ্গি ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযান চালানোর পর আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিষয়ক পর্যবেক্ষণে আবারও উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। দক্ষিণ এশিয়ার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের হালনাগাদ প্রকাশকারী প্ল্যাটফর্ম সাউথ এশিয়া টেররিজম পোর্টাল (এসএটিপি) আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এই অভিযানের খবর প্রকাশ করেছে।
এনআইএ আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালার মোট ১৬টি স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছে। এর মধ্যে আসামে ১০টি, পশ্চিমবঙ্গে ৫টি এবং কেরালায় ১টি স্থান রয়েছে। এসএটিপি এ তথ্যের সূত্র হিসেবে অসিয়ানেট নিউজের প্রতিবেদন উল্লেখ করেছে।
১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্তে জেমবির যোগসূত্র
তিন মাস আগে এই মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছিল এনআইএ। গুয়াহাটির
এনআইএ বিশেষ আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩ এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ), ১৯৬৭-এর বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এনআইএর তদন্তে দেখা গেছে, আইএমকে জেএমবিরই একটি রূপ। পশ্চিমবঙ্গ এবং আসাম ও ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্ব ভারতে সংগঠনের জঙ্গি মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে আসামিরা সক্রিয় ছিল। ষড়যন্ত্রের মধ্যে ছিল উগ্রবাদী এজেন্ডার প্রচার, ঝুঁকিপূর্ণ তরুণদের উগ্রপন্থায় প্রলুব্ধ করা এবং ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ। বাংলাদেশের নাম কেন আলোচনায়? জেএমবি বাংলাদেশভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠন। এর শাখা বা ছায়া সংগঠনের কার্যক্রম প্রতিবেশী দেশে তদন্তের আওতায় আসায় সংগঠনটির সীমান্তপারের নেটওয়ার্ক নিয়ে আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। অভিযান চলছে বাংলাদেশ-সংলগ্ন আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে, আর সংগঠনটির মতাদর্শ ছড়ানোর লক্ষ্যবস্তু হিসেবে
ত্রিপুরার নামও এসেছে। সূত্র: সাউথ এশিয়া টেররিজম পোর্টাল (এসএটিপি), অসিয়ানেট নিউজ।
এনআইএ বিশেষ আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩ এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ), ১৯৬৭-এর বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এনআইএর তদন্তে দেখা গেছে, আইএমকে জেএমবিরই একটি রূপ। পশ্চিমবঙ্গ এবং আসাম ও ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্ব ভারতে সংগঠনের জঙ্গি মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে আসামিরা সক্রিয় ছিল। ষড়যন্ত্রের মধ্যে ছিল উগ্রবাদী এজেন্ডার প্রচার, ঝুঁকিপূর্ণ তরুণদের উগ্রপন্থায় প্রলুব্ধ করা এবং ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ। বাংলাদেশের নাম কেন আলোচনায়? জেএমবি বাংলাদেশভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠন। এর শাখা বা ছায়া সংগঠনের কার্যক্রম প্রতিবেশী দেশে তদন্তের আওতায় আসায় সংগঠনটির সীমান্তপারের নেটওয়ার্ক নিয়ে আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। অভিযান চলছে বাংলাদেশ-সংলগ্ন আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে, আর সংগঠনটির মতাদর্শ ছড়ানোর লক্ষ্যবস্তু হিসেবে
ত্রিপুরার নামও এসেছে। সূত্র: সাউথ এশিয়া টেররিজম পোর্টাল (এসএটিপি), অসিয়ানেট নিউজ।





