ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
টঙ্গীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কারখানা পুড়ে ছাই: মার্কিন ওষুধ-চুক্তির সাথে একসূত্রে গাঁথা? প্রশ্ন কর্মচারীদের
টঙ্গীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কারখানা পুড়ে ছাই: মার্কিন ওষুধ-চুক্তির সাথে একসূত্রে গাঁথা? প্রশ্ন কর্মচারীদের
মার্কিন চুক্তির খপ্পরে দেশের ওষুধশিল্প: ২০ টাকার ওষুধ হবে ৫০০, কাঁচামাল আমদানিতেও খড়গ
মৌখিক তিরস্কার অপরাধ নয়, মব সৃষ্টি-প্রশ্রয় দিয়ে প্রতিহিংসাপরায়ণতা, রিসেট বাটন চেপে সব ধ্বংস করা অপরাধ: হ্যাঁ ইউনূস, আপনি অপরাধী
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ তুলে চিকিৎসাধীন যুবককে গণধোলাই দিয়ে হত্যা
ইন্ডিয়া টুডে-কে শেখ হাসিনা: “ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের যোগ না দেয়া ‘অপরিণত’ সিন্ধান্ত এবং জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা”
কোটার বিরোধিতা করে নেতা হওয়া ফারুক এবার উপসচিব মর্যাদায় বিদ্যুৎ বিভাগের পরিচালক পদে
অর্ধকোটি টাকা গায়েব
এ দেশে কিছু না করেও যে অর্থবান হওয়া যায়, তা বুঝে গেছেন ধুরন্ধর মানুষেরা। এই তো বাগেরহাট সদর উপজেলার পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী সেতুর কথাই ধরা যাক! সেতু বলতে আমরা বোঝাতে চাইছি, যে সেতুটি এরই মধ্যে তৈরি হয়ে যেতে পারত, যে সেতু দিয়ে চলাচল করতে পারত শকট, অথচ যে সেতুটি নির্মাণই করা হয়নি; সেই সেতুটিকে। বেচারা সেতুটি, মানে না হওয়া সেতুটি যদি মানুষ হতো, তাহলে রাগে দুঃখে অথবা অপমানে, লজ্জায় এত দিনে আত্মহত্যাই করে বসত কি না, কে জানে!
অর্ধকোটি টাকা গাপ করে দেওয়া হয়েছে সেতু তৈরির নামে। জ্বি হ্যাঁ, ভুল শোনেননি। ৫০ লাখ টাকার কথাই বলা হচ্ছে। ব্যাপক অভিযোগ আছে, ক্ষমতাচ্যুত
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে ক্ষমতার কাছের লোকজন এরকম অনেক তুঘলকি কাণ্ড ঘটিয়েছেন। কিন্তু এই সেতুটির কার্যাদেশই দেওয়া হয়েছিল ২০২৪ সালের শেষদিকে। ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪ হাজার ২১ টাকা ব্যয়সাপেক্ষ সেতুটি নির্মাণ করার কাজ যিনি পেয়েছেন, অর্থাৎ সেই ঠিকাদার সাহেবের পরিবর্তনের অঙ্গীকারের পক্ষেরই কেউ একজন হওয়ার কথা। তিনি এ বছর ১২ এপ্রিলের মধ্যে সম্পন্ন করে দেবেন বলেই কাজটি পেয়েছিলেন। কিন্তু ২০২৬ সালের আগস্টও শেষ হয়ে গেল, ঠিকাদার সাহেব দৃশ্যমান কোনো কাজই করলেন না। ঠিকাদার সাহেব কথা না রাখলেও ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর কী কারণে কে জানে, এলজিইডি থেকে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৫০ লাখ টাকা পেয়ে গেল। কেন কাজটি করা হয়নি, কাজ না
করায় ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে সব জানা না গেলেও যেটা জানা গেছে, তা হলো গত ২২ জুলাই ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিলের জন্য প্রকল্প পরিচালকের দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তার মানে ওই ৫০ লাখ টাকা যেমন জলে গেল, তেমনি নতুন ঠিকাদার এসে কবে কাজ শুরু করবে, কবে সেতুর কাজ সম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না। তাহলে মোটের ওপর দাঁড়াল এই যে বাগেরহাটবাসীকে আরও অপেক্ষা করতে হবে। ভালো ব্যাপার হলো, এই অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় মানুষ। তাঁরা সরাসরি এলজিইডির প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের শাস্তি দাবি করেছেন। আমরা তাঁদের সঙ্গে একমত হয়ে এ কথাও বলতে চাই, সরকারি
কাজ যে ঠিকাদার পান, তাঁরা যদি বুঝে ফেলেন যে কাজ শেষ না করেও টাকা লোপাট করা যাবে, তাহলে এই ধরনের ঘটনার অবসান হবে না। কার্যাদেশ পাওয়া মানে সময়মতো কাজ শেষ করার অঙ্গীকার করা। সময়মতো কাজ শেষ না করলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা থাকতে হবে। বাগেরহাট সদর উপজেলার সেতুটি নির্মিত হবে, নাকি শুধু ঠিকাদারদের পকেট ভারী হতে থাকবে, সেই প্রশ্নের উত্তরও জানতে হবে।
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে ক্ষমতার কাছের লোকজন এরকম অনেক তুঘলকি কাণ্ড ঘটিয়েছেন। কিন্তু এই সেতুটির কার্যাদেশই দেওয়া হয়েছিল ২০২৪ সালের শেষদিকে। ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪ হাজার ২১ টাকা ব্যয়সাপেক্ষ সেতুটি নির্মাণ করার কাজ যিনি পেয়েছেন, অর্থাৎ সেই ঠিকাদার সাহেবের পরিবর্তনের অঙ্গীকারের পক্ষেরই কেউ একজন হওয়ার কথা। তিনি এ বছর ১২ এপ্রিলের মধ্যে সম্পন্ন করে দেবেন বলেই কাজটি পেয়েছিলেন। কিন্তু ২০২৬ সালের আগস্টও শেষ হয়ে গেল, ঠিকাদার সাহেব দৃশ্যমান কোনো কাজই করলেন না। ঠিকাদার সাহেব কথা না রাখলেও ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর কী কারণে কে জানে, এলজিইডি থেকে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৫০ লাখ টাকা পেয়ে গেল। কেন কাজটি করা হয়নি, কাজ না
করায় ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে সব জানা না গেলেও যেটা জানা গেছে, তা হলো গত ২২ জুলাই ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিলের জন্য প্রকল্প পরিচালকের দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তার মানে ওই ৫০ লাখ টাকা যেমন জলে গেল, তেমনি নতুন ঠিকাদার এসে কবে কাজ শুরু করবে, কবে সেতুর কাজ সম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না। তাহলে মোটের ওপর দাঁড়াল এই যে বাগেরহাটবাসীকে আরও অপেক্ষা করতে হবে। ভালো ব্যাপার হলো, এই অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় মানুষ। তাঁরা সরাসরি এলজিইডির প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের শাস্তি দাবি করেছেন। আমরা তাঁদের সঙ্গে একমত হয়ে এ কথাও বলতে চাই, সরকারি
কাজ যে ঠিকাদার পান, তাঁরা যদি বুঝে ফেলেন যে কাজ শেষ না করেও টাকা লোপাট করা যাবে, তাহলে এই ধরনের ঘটনার অবসান হবে না। কার্যাদেশ পাওয়া মানে সময়মতো কাজ শেষ করার অঙ্গীকার করা। সময়মতো কাজ শেষ না করলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা থাকতে হবে। বাগেরহাট সদর উপজেলার সেতুটি নির্মিত হবে, নাকি শুধু ঠিকাদারদের পকেট ভারী হতে থাকবে, সেই প্রশ্নের উত্তরও জানতে হবে।



